৭১/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৭৪ - ফারা ও আতীরার ব্যাখ্যা
আতীরাহ
ফারা ও আতীরা: ইসলামে নেই এমন যবেহের প্রথা
সহীহ বুখারী : ৫৪৭৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৪৭৪
عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ الزُّهْرِيُّ حَدَّثَنَا عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ لاَ فَرَعَ وَلاَ عَتِيرَةَ قَالَ وَالْفَرَعُ أَوَّلُ نِتَاجٍ كَانَ يُنْتَجُ لَهُمْ كَانُوا يَذْبَحُونَه“ لِطَوَاغِيَتِهِمْ وَالْعَتِيرَةُ فِي رَجَبٍ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ (ইসলামে) ফারা ও আতীরা নেই। ফারা হল উটের প্রথম বাচ্চা যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবেহ দিত। আর আতীরা যা রজবে যবেহ করত।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৪৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বক্তব্য এসেছে: ফারা ও আতীরা নেই। এরপর বর্ণনায় ফারার পরিচয় দেওয়া হয়েছে—উটের প্রথম বাচ্চা, যা তারা তাদের দেব-দেবীর নামে যবেহ করত। আর আতীরা হলো রজব মাসে যবেহের একটি প্রথা। এই বর্ণনায় মূল শিক্ষা খুব পরিষ্কার: যবেহের কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হতে হবে, দেব-দেবীর নামে জাহেলি প্রথার মতো নয়। তবে হাদিসে যে দুটি শব্দ এসেছে, ব্যাখ্যাও সেগুলোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তাই এই হাদিস বুঝতে হলে ফারা ও আতীরার অর্থ এবং সেগুলো ইসলামে নেই—এই কথাটিই মূলভাবে ধরতে হবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফারা ও আতীরাকে নবী (صلى الله عليه وسلم) অস্বীকার করেছেন।
- ফারা ছিল দেব-দেবীর নামে উটের প্রথম বাচ্চা যবেহ করা।
- আতীরা ছিল রজব মাসে করা এক ধরনের যবেহ।
- ভুল ধর্মীয় প্রথা থেকে আলাদা থাকা ইসলামী শিক্ষার অংশ।
