৭২/২৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৫১৬ - লুটতরাজ ও অঙ্গহানি নিষিদ্ধ
পশুর অঙ্গহানি করা, বেঁধে তীর দ্বারা হত্যা করা ও চাঁদমারি করা মাকরূহ।
লুটতরাজ ও অঙ্গহানি নিষেধ: ন্যায় ও দয়ার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৫৫১৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৫১৬
حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ قَالَ أَخْبَرَنِي عَدِيُّ بْنُ ثَابِتٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللهِ بْنَ يَزِيدَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ أَنَّه“ نَهٰى عَنْ النُّهْبَةِ وَالْمُثْلَةِ.
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) লুটতরাজ ও অঙ্গহানি করতে নিষেধ করেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৫১৬-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: নিষেধাজ্ঞা। এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) দুটি কাজ থেকে নিষেধ করেছেন: লুটতরাজ এবং অঙ্গহানি। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা গভীর। লুটতরাজ মানুষের সম্পদের নিরাপত্তা নষ্ট করে। আর অঙ্গহানি মানুষ বা প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের দিক খুলে দেয়। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধ থেকে বোঝা যায়, মুসলিমের আচরণে অন্যের সম্পদ, দেহ এবং মর্যাদার প্রতি যত্ন থাকা দরকার। এই বর্ণনায় কোনো দীর্ঘ ঘটনা নেই, তাই সরাসরি নিষেধটাই মূল কথা। যে সমাজে লুটতরাজ ও অঙ্গহানি বন্ধ থাকে, সেখানে নিরাপত্তা ও দয়া বেশি থাকে। তাই এই হাদিস ন্যায়, সংযম এবং ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকার সহজ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লুটতরাজ করা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধের মধ্যে এসেছে।
- অঙ্গহানি করা নিষিদ্ধ কাজ হিসেবে উল্লেখ হয়েছে।
- ইসলামী আচরণে অন্যের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষা করা জরুরি।
