৯/৩৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৯৪ - মেঘলা দিনে আসর দ্রুত আদায়ের গুরুত্ব
মেঘলা দিনে জলদি সালাত আদায় করা।
আসরের সালাত ছেড়ে দেওয়ার ভয়াবহ সতর্কতা
সহীহ বুখারী : ৫৯৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৯৪
حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى ـ هُوَ ابْنُ أَبِي كَثِيرٍ ـ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، أَنَّ أَبَا الْمَلِيحِ، حَدَّثَهُ قَالَ كُنَّا مَعَ بُرَيْدَةَ فِي يَوْمٍ ذِي غَيْمٍ فَقَالَ بَكِّرُوا بِالصَّلاَةِ فَإِنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «مَنْ تَرَكَ صَلاَةَ الْعَصْرِ حَبِطَ عَمَلُهُ».
বুরাইদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক মেঘলা দিনে আমরা বুরাইদা (রাঃ) -এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি বললেন, শীঘ্র সালাত আদায় করে নাও। কেননা নবী (ﷺ) বলছেন, যে ব্যক্তি আসরের সালাত ছেড়ে দেয় তার সমস্ত আমল বিনষ্ট হয়ে যায়।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এক মেঘলা দিনের ঘটনা এসেছে। বুরাইদা (রাঃ) বললেন, শীঘ্র সালাত আদায় করে নাও। কারণ নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি আসরের সালাত ছেড়ে দেয়, তার সমস্ত আমল বিনষ্ট হয়ে যায়। এখানে মূল বিষয় হলো আসরের সালাতের গুরুত্ব। মেঘলা দিনে সূর্যের অবস্থান স্পষ্ট না থাকলে সময় নিয়ে ভুল হতে পারে; তাই বর্ণনায় দ্রুত আদায়ের কথা এসেছে। হাদিসটি অতিরঞ্জন ছাড়া আমাদের খুব শক্তভাবে সতর্ক করে যে, আসরের সালাতকে হালকা করে দেখা যাবে না। যারা আসরের নামাজের গুরুত্ব, আসর ছুটে গেলে কী হবে বা মেঘলা দিনে নামাজের সময় জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি সরাসরি শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মেঘলা দিনে আসরের সালাত দ্রুত আদায় করার কথা বলা হয়েছে।
- আসরের সালাত ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- সময় অস্পষ্ট হলে সালাতের ব্যাপারে বেশি সাবধান হওয়া দরকার।
- ফরজ সালাতকে হালকা করে দেখা উচিত নয়।
