১০/৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৬১২ - মুয়াবিয়া রাঃ-এর আজানের জবাব
মুয়াজ্জিনের আজান শুনলে যা বলতে হয়।
আজানের জবাব: মুয়াবিয়া রাঃ কীভাবে বলেছিলেন
সহীহ বুখারী : ৬১২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬১২
حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْحَارِثِ، قَالَ حَدَّثَنِي عِيسَى بْنُ طَلْحَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ، يَوْمًا فَقَالَ مِثْلَهُ إِلَى قَوْلِهِ «وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ».
মু‘আবিয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা তিনি মু’আবিয়াহ (রাঃ)-কে (আযানের জবাব দিতে) শুনেছেন যে, তিনি ‘আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ পর্যন্ত মুয়াজ্জিনের মতই বলেছেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মুয়াবিয়া (রাঃ)-এর আজানের জবাব দেওয়ার একটি আমল এসেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি একদিন মুয়াবিয়া (রাঃ)-কে শুনেছেন যে, তিনি আজানের জবাবে ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ’ পর্যন্ত মুয়াজ্জিনের মতোই বলেছেন। এই বর্ণনা আগের হাদিসের নির্দেশের বাস্তব উদাহরণ হিসেবে বোঝা যায়। আজান শুনলে মুয়াজ্জিনের কথার জবাব দেওয়া শুধু তাত্ত্বিক নিয়ম নয়; সাহাবীরাও তা আমল করেছেন। এখানে কোর টপিক হলো আজানের জবাব। হাদিসটি ছোট, তাই এর বাইরে বাড়তি ফজিলত বা নতুন নিয়ম যোগ করা ঠিক নয়। সরাসরি শিক্ষা হলো, আজান শুনলে মনোযোগ দিয়ে বাক্যগুলোর জবাব দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীরা আজানের জবাব দেওয়ার আমল করতেন।
- মুয়াজ্জিনের মতো বলা আজানের জবাবের মূল রূপ।
- ছোট আমল হলেও তা রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশের সঙ্গে যুক্ত।
