১০/১১. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৬১৭ - ফজরের আজান ও সেহরির শেষ সময়

সময় বলে দেয়ার লোক থাকলে অন্ধ ব্যক্তি আজান দিতে পারে।

ফজরের আজান ও সেহরি: কোন আজান পর্যন্ত খাওয়া যায়

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬১৭

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُنَادِيَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ». ثُمَّ قَالَ وَكَانَ رَجُلاً أَعْمَى لاَ يُنَادِي حَتَّى يُقَالَ لَهُ أَصْبَحْتَ أَصْبَحْتَ.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) বলেছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আজান দেন। কাজেই ইব্‌নু উম্মে মাকতূম (রাঃ) আজান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা (সাহরীর) পানাহার করতে পার। ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বলেন, ইব্‌নু উম্মে মাকতূম (রাঃ) ছিলেন অন্ধ। যতক্ষণ না তাঁকে বলে দেওয়া হত যে, ‘ভোর হয়েছে, ভোর হয়েছে’–ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি আজান দিতেন না।

সহীহ বুখারী হাদিস ৬১৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সেহরি ও ফজরের আজানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এসেছে। রাসূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আজান দেন। তাই ইবনু উম্মে মাকতুম (রাঃ) আজান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা সেহরির পানাহার করতে পার। এরপর বর্ণনায় বলা হয়েছে, ইবনু উম্মে মাকতুম (রাঃ) অন্ধ ছিলেন। তাঁকে যতক্ষণ না বলা হত যে ভোর হয়েছে, ততক্ষণ তিনি আজান দিতেন না। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, তখন দুইটি আজানের মধ্যে পার্থক্য ছিল। প্রথম আজান রাতের ছিল, আর দ্বিতীয়টি ভোর স্পষ্ট হওয়ার পর। তাই সেহরির সময় বুঝতে কোন আজান ফজরের তা জানা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • বিলাল রাঃ-এর রাতের আজান সেহরি বন্ধ করার চূড়ান্ত সংকেত ছিল না।
  • ইবনু উম্মে মাকতুম রাঃ-এর আজান ভোর স্পষ্ট হওয়ার পর দেওয়া হতো।
  • রোজার সময় নির্ধারণে ফজরের সঠিক সময় জানা জরুরি।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন