৩০/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯১৯ - দুই আজানের মাঝের অল্প ব্যবধান
নবী (ﷺ)-এর বাণী: বিলালের আজান তোমাদের সাহরী হতে যেন বিরত না রাখে।
সাহরির সময়: দুই আজানের মাঝের ব্যবধান
সহীহ বুখারী : ১৯১৯
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯১৯
. قَالَ الْقَاسِمُ وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَ أَذَانِهِمَا إِلاَّ أَنْ يَرْقَى ذَا وَيَنْزِلَ ذَا
কাসিম (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
এদের উভয়ের আজানের মাঝে শুধু এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, একজন নামতেন এবং অন্যজন উঠতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯১৯-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: আজান। এই বর্ণনায় বলা হয়েছে, বিলাল (রাঃ) ও ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ)-এর আজানের মাঝে খুব বেশি সময়ের ব্যবধান ছিল না। শুধু এতটুকু সময় ছিল যে, একজন নামতেন এবং অন্যজন উঠতেন। আগের বর্ণনায় এসেছে, বিলাল (রাঃ) রাতে আজান দিতেন, আর ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ) ফজর না হওয়া পর্যন্ত আজান দিতেন না। তাই এই হাদিস সাহরির সময় বুঝতে সহায়ক। এটি দেখায়, দুই আজান আলাদা হলেও ব্যবধান ছিল অল্প। রোজাদারের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ খাওয়া-পানার শেষ সময় ফজরের সঙ্গে যুক্ত। ফলে আজানের সময় ও তার উদ্দেশ্য বুঝে আমল করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দুই আজানের মাঝে অল্প সময়ের ব্যবধান ছিল।
- রাতের আজান ও ফজরের আজানের উদ্দেশ্য আলাদা হতে পারে।
- সাহরির সময় বুঝতে আজানের পার্থক্য জানা দরকার।
- হাদিসের ধারাবাহিক বর্ণনা বিধান বুঝতে সাহায্য করে।
