৩০/১৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯১৮ - ফজরের আজান পর্যন্ত সাহরি
নবী (ﷺ)-এর বাণী: বিলালের আজান তোমাদের সাহরী হতে যেন বিরত না রাখে।
সাহরির শেষ সময়: কোন আজান পর্যন্ত খাওয়া যাবে
সহীহ বুখারী : ১৯১৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯১৮
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ عَنْ أَبِي أُسَامَةَ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ وَالْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّ بِلاَلاً كَانَ يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ كُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ فَإِنَّهُ لاَ يُؤَذِّنُ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বিলাল (রাঃ) রাতে আজান দিতেন। তাই আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ ইব্নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) আজান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। কেননা ফজর না হওয়া পর্যন্ত সে আজান দেয় না।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯১৮-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: সাহরি। এই হাদিসে সাহরির সময় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এসেছে। বিলাল (রাঃ) রাতে আজান দিতেন। তাই নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ) আজান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা খাও ও পান করো। কারণ তিনি ফজর না হওয়া পর্যন্ত আজান দেন না। এতে বোঝা যায়, রাতের আগের আজান ও ফজরের আজানের মধ্যে পার্থক্য ছিল। সাহরির শেষ সময় ফজর হওয়া পর্যন্ত থাকে—এই কথা হাদিসে পরিষ্কার হয়েছে। রোজাদারের জন্য সাহরি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়, তাই কোন সংকেতে খাওয়া বন্ধ করতে হবে, তা জানা দরকার। এই হাদিস সেই বিষয়টি সহজভাবে বুঝিয়ে দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলাল (রাঃ)-এর রাতের আজান শুনে সাহরি বন্ধ করতে বলা হয়নি।
- ইবন উম্মু মাকতুম (রাঃ)-এর আজান ফজরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
- ফজর হওয়ার আগে পর্যন্ত পানাহারের অনুমতি এসেছে।
- সাহরির সময় বুঝতে সঠিক আজান জানা জরুরি।
