১০/১৬১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৮৫৮ - জুমার দিনের গোসলের গুরুত্ব
শিশুদের ওযু করা, কখন তাদের উপর গোসল ও পবিত্রতা অর্জন আবশ্যক হয় এবং সালাতের জামাআতে, দুই ঈদে এবং জানাজায় তাদের উপস্থিতি এবং কাতারবন্দী হওয়া।
জুমার দিনের গোসল: প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত মুসলিমের জন্য শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৮৫৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৮৫৮
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ حَدَّثَنِي صَفْوَانُ بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «الْغُسْلُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاجِبٌ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ».
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জুমু‘আর দিন প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত (মুসলিমের) গোসল করা ওয়াজিব।
সহীহ বুখারী হাদিস ৮৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার দিনের গোসল সম্পর্কে খুব স্পষ্ট কথা এসেছে। আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত, নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন—জুমার দিন প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত মুসলিমের গোসল করা ওয়াজিব। এখানে মূল শব্দ হলো জুমার গোসল এবং বয়ঃপ্রাপ্ত মুসলিম। তাই হাদিসটি জুমার দিনের প্রস্তুতি, পরিচ্ছন্নতা এবং সালাতে যাওয়ার আগে শরীর পরিষ্কার রাখার বিষয়কে সামনে আনে। হাদিসে সুগন্ধি, কাপড় বা অন্য প্রস্তুতির কথা নেই; তাই ব্যাখ্যায় সেগুলো যোগ করা হয়নি। মূল শিক্ষা হলো, জুমার দিন গোসলকে নবী صلى الله عليه وسلم গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন। একজন মুসলিমের জন্য জুমার দিনকে সাধারণ দিনের মতো না দেখে পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রস্তুত হওয়া এই হাদিসের সরাসরি বার্তা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিনে প্রত্যেক বয়ঃপ্রাপ্ত মুসলিমের গোসলের কথা এসেছে।
- জুমার সালাতের আগে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব বোঝা যায়।
- নবী صلى الله عليه وسلم এই গোসলকে ওয়াজিব বলেছেন।
- হাদিসে যতটুকু এসেছে, ব্যাখ্যায় সেই সীমার বাইরে যাওয়া উচিত নয়।
