১১/৪১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৯৪০ - সকাল সকাল জুমায় যাওয়া
জুমার পরে কায়লুলাহ (দুপুরে শয়ন ও হালকা নিদ্রা)।
সকাল সকাল জুমায় যাওয়া: আগ্রহ, সময়নিষ্ঠা ও কায়লুলার শিক্ষা
সহীহ বুখারী : ৯৪০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৯৪০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُقْبَةَ الشَّيْبَانِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْفَزَارِيُّ، عَنْ حُمَيْدٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يَقُولُ كُنَّا نُبَكِّرُ إِلَى الْجُمُعَةِ ثُمَّ نَقِيلُ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা সকাল সকাল জুমায় যেতাম অতঃপর (সালাত শেষে) কায়লূলাহ করতাম।
সহীহ বুখারী হাদিস ৯৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো সকাল সকাল জুমায় যাওয়া। আনাস (রাঃ) বলেন, তাঁরা সকাল সকাল জুমায় যেতেন, তারপর সালাত শেষে কায়লুলা করতেন। বর্ণনাটি ছোট হলেও জুমার দিনের সময়নিষ্ঠা বুঝতে সহায়ক। জুমা শুধু নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে নামাজ পড়ার বিষয় নয়; সাহাবীদের মধ্যে আগে যাওয়ার আগ্রহ ছিল। এতে মসজিদে আগে পৌঁছানো, খুতবার জন্য প্রস্তুত থাকা এবং ইবাদতে মন স্থির করার সুযোগ তৈরি হয়। সালাত শেষে তারা কায়লুলা করতেন, অর্থাৎ দিনের বিশ্রাম নিতেন। এই হাদিসে জুমার দিনের একটি সুন্দর ছন্দ পাওয়া যায়—আগে ইবাদত, পরে বিশ্রাম। এতে সময়ের মূল্য, মসজিদের প্রতি ভালোবাসা এবং ইবাদতের পরে শরীরের স্বাভাবিক প্রয়োজনের প্রতি ভারসাম্য দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীরা সকাল সকাল জুমায় যাওয়ার চেষ্টা করতেন।
- আগে গেলে খুতবা ও সালাতের জন্য মন প্রস্তুত থাকে।
- জুমার পর কায়লুলা করা তাদের পরিচিত অভ্যাস ছিল।
- ইবাদত ও বিশ্রামের মধ্যে সুন্দর ভারসাম্য রাখা যায়।
