১৩/৭. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৯৬০ - দুই ঈদের সালাতে আজান ছিল না

পায়ে হেঁটে বা সওয়ারীতে আরোহণ করে ঈদের জামাআতে যাওয়া এবং আজান ও ইকামাত ব্যতীত খুতবার পূর্বে সালাত আদায় করা।

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সালাতে আজান নেই—সহজ হাদিস ব্যাখ্যা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৯৬০

و أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ وَعَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ قَالاَ لَمْ يَكُنْ يُؤَذَّنُ يَوْمَ الْفِطْرِ وَلاَ يَوْمَ الْأَضْحَى.

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) ও জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

ঈদুল ফিতরের সালাতে কিংবা ঈদুল আজহার সালাতে আজান দেয়া হত না।

সহীহ বুখারী হাদিস ৯৬০-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) ও জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে ঈদুল ফিতরের দিনে এবং ঈদুল আজহার দিনে আজান দেওয়া হতো না। বর্ণনাটি খুব ছোট, কিন্তু ঈদের সালাতের পদ্ধতি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে দুই ঈদের কথা একসঙ্গে এসেছে—ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আজহা। উভয় ক্ষেত্রেই আজান না দেওয়ার বিষয়টি বলা হয়েছে। তাই ঈদের নামাজে আজান আছে কি না, ঈদুল আজহার সালাতে আজান হয় কি না, অথবা ঈদুল ফিতরের সালাতের নিয়ম কী—এসব প্রশ্নের সরল উত্তর এই হাদিসে পাওয়া যায়। তবে হাদিসে শুধু আজানের কথা এসেছে; তাই ইকামত বা অন্য বিষয় নিয়ে এই বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঈদুল ফিতরের সালাতে আজান দেওয়া হতো না।
  • ঈদুল আজহার সালাতেও আজান দেওয়া হতো না।
  • দুই সাহাবী থেকে এই বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে।
  • হাদিসের সীমা অনুযায়ী শুধু আজানের বিষয়টি স্পষ্ট করা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন