১৪/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩৮৪ - বিচারকের পদ কত কঠিন
বিচারকের পদের মহত্ত
বিচারকের পদ: সম্মান নয়, বড় দায়িত্ব
বুলুগুল মারাম : ১৩৮৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩৮৪
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ: «مَنْ وَلِيَ الْقَضَاءَ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ (1) وَصَحَّحَهُ ابْنُ خُزَيْمَةَ, وَابْنُ حِبَّانَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যাকে ক্বাযীর পদ দেয়া হলো তাকে যেন বিনা ছুরিতেই যবাহ করা হলো। [১৪৯২]
[১৪৯২] তিরমিযী ১৩২৫, আবূ দাউদ ৩৫৭১, ৩৫৭২, ইবনু মাজাহ ২৩০৮, আহমাদ ৭১০৫, ৮৫৫৯।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো বিচারকের পদের কঠিনতা। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যাকে ক্বাযীর পদ দেওয়া হলো, তাকে যেন ছুরি ছাড়াই যবাহ করা হলো। কথাটি খুব শক্ত ভাষায় বলা হয়েছে, যাতে মানুষ বুঝতে পারে বিচারকের দায়িত্ব কত ভারী। এখানে বিচারকের পদকে সাধারণ সম্মান বা সামাজিক মর্যাদা হিসেবে দেখানো হয়নি। বরং এতে মানুষের অধিকার, সত্য-মিথ্যা যাচাই, রাগ-লোভ থেকে বাঁচা এবং আল্লাহর সামনে জবাবদিহির ভয় জড়িত। তাই এই হাদিস নেতৃত্ব, বিচার ও ফায়সালার কাজে থাকা মানুষকে সতর্ক করে। পদ পাওয়ার আনন্দের আগে দায়িত্বের ভার অনুভব করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিচারকের পদ বড় সম্মানের পাশাপাশি বড় পরীক্ষা।
- মানুষের অধিকার নিয়ে ফায়সালা করা খুব সংবেদনশীল দায়িত্ব।
- পদ পাওয়ার আগে জবাবদিহির ভয় মনে রাখা দরকার।
- বিচারককে সতর্ক, ন্যায়পরায়ণ ও আল্লাহভীরু হতে হবে।
