১৫/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪২৫ - মাহরাম আত্মীয় মালিক হলে মুক্তির বিধান
কোন ব্যক্তি মাহরামের মনিব হলে ঐ মাহরাম দাস আযাদ বলে গণ্য হবে
মাহরাম আত্মীয়ের মালিকানা ও আযাদ হয়ে যাওয়ার শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ১৪২৫
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৪২৫
وَعَنْ سَمُرَةَ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - ﷺ - قَالَ: «مَنْ مَلَكَ ذَا رَحِمٍ مَحْرَمٍ, فَهُوَ حُرٌّ». رَوَاهُ أَحْمَدُ, وَالْأَرْبَعَةُ وَرَجَّحَ جَمْعٌ مِنَ الْحُفَّاظِ أَنَّهُ مَوْقُوفٌ
সামুরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি এমন কোন আত্মীয়ের (রক্ত সম্পর্কযুক্ত লোকের) মনিব হয় যাদের মধ্যে বিয়ে হারাম তবে সে (উক্ত গোলাম) আযাদ হয়ে যায়। একদল হাদীস বিশেষজ্ঞ এটিকে মাওকুফ বলেছেন।[১৫৩৪]
[১৫৩৪] আলবানি হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন, তাহকিক ইবনু মাযাহ। আবূ দাউদের বর্ণনায় রয়েছে, (আরবি) যে কোন দাস নিজের মুক্তির জন্য একশত উকুয়া ধার্য অতঃপর দশ উকিয়া ব্যতীত সম্পূর্ণই পরিশোধ করে তাহলে সেই দাস (বলে গণ্য হবে)। যে কোন দাস একশত দিনারের বিনিময়ে নিজের মুক্তি চায় অতঃপর দশ দিনার ব্যতীত আর সবটুকুই পরিশোধ করে তাহলেও সে দাস বলে গণ্য হবে।আবূ দাউদ ৩৯৪৯, তিরমিযী ১৩৬৫, ইবনু মাজাহ ২৫২৪, আহমাদ ১৯৬৫৪, ১৯৬৯২, ১৯৭১৫।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৪২৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রক্ত সম্পর্কযুক্ত এমন আত্মীয়ের কথা বলা হয়েছে, যার সঙ্গে বিয়ে হারাম। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নামে বর্ণিত হয়েছে, কেউ যদি এমন আত্মীয়ের মনিব হয়ে যায়, তাহলে সেই গোলাম আযাদ হয়ে যায়। এখানে মূল বিষয় হলো আত্মীয়তার মর্যাদা এবং দাসত্বের সম্পর্ক একসাথে থাকা নিয়ে একটি বিধান। অনুবাদে আরও বলা হয়েছে, একদল হাদিস বিশেষজ্ঞ এটিকে মাওকুফ বলেছেন। তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। আমরা শুধু এতটুকুই বলি—বর্ণনাটিতে মাহরাম আত্মীয়ের সম্মান ও মুক্তির বিষয় সামনে এসেছে, এবং এর হাদিসগত অবস্থান নিয়ে বিশেষজ্ঞদের আলোচনা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রক্ত সম্পর্কের মাহরাম আত্মীয়ের মর্যাদা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- আত্মীয়তার সম্পর্ক দাসত্বের সম্পর্কের চেয়ে সম্মানের বিষয় হিসেবে এসেছে।
- হাদিসের মান ও অবস্থান নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মত জানা জরুরি।
- বিধান বোঝার সময় বর্ণনার শব্দের সীমা রক্ষা করা উচিত।
