১/২. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৭ - রূপার পাত্রে পান করার কঠোর সতর্কতা
পাত্র - রৌপ্যের পাত্রে পান করা অবৈধ
রূপার পাত্রে পান: কঠোর সতর্কতার হাদিস
বুলুগুল মারাম : ১৭
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৭
وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ: «الَّذِي يَشْرَبُ فِي إِنَاءِ الْفِضَّةِ إِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ». مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে সে যেন তার পেটে জাহান্নামের আগুনই ঢক্ ঢক্ করে ভরে নেয়।”
[২৫] বুখারী (৫৬৩৪); মুসলিম (৭২০৬৫)
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে, সে যেন তার পেটে জাহান্নামের আগুন ঢকঢক করে ভরে নেয়। ভাষাটি খুব কঠোর। তাই বোঝা যায়, রূপার পাত্রে পান করার নিষেধ সাধারণ সতর্কতা নয়; এটি গুরুতর বিষয়। এই হাদিস সোনা-রূপার পাত্র ব্যবহার, পান করার আদব এবং দুনিয়ার বিলাসিতা থেকে বেঁচে থাকার শিক্ষা দেয়। এখানে আহার নয়, বিশেষভাবে রূপার পাত্রে পান করার কথা এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় সেই সীমা রাখা দরকার। হাদিসটি মুসলিমকে মনে করায়, বাহ্যিক জাঁকজমক যদি নবীজির নিষেধের বিপরীত হয়, তাহলে তা থেকে দূরে থাকা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রূপার পাত্রে পান করার ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
- খাওয়া-পানার অভ্যাসেও নবীজির নির্দেশনা মানা দরকার।
- দুনিয়ার বিলাসিতা আখিরাতের ক্ষতির কারণ হতে পারে—এই সতর্কতা আছে।
