২/২. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৯৪ - হাইয়ালাতাইনের জবাবে কী বলা হবে
আযান (সালাতের জন্য আহ্বান) - আযানের জওয়াব দেয়া
আযানের জবাবের নিয়ম: হাইয়া আলাস সালাহর জবাব
বুলুগুল মারাম : ১৯৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৯৪
وَلِمُسْلِمٍ: عَنْ عُمَرَ فِي فَضْلِ الْقَوْلِ كَمَا يَقُولُ الْمُؤَذِّنُ كَلِمَةً كَلِمَةً, سِوَى الْحَيْعَلَتَيْنِ, فَيَقُولُ: لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ
উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আযানের জবাবের ফাযীলাত সম্বন্ধে বর্ণিত রয়েছে মুয়াজ্জিন যা বলবেন শ্রোতা সেসব বাক্যই বলবেন। তবে "হায়ইআ আলাস্ সালাহ, হায়ইআ আলাল ফালাহ’ দু'টির জবাবে বলবে- ‘লা হাওলা অলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।" [২২৬]
[২২৬] মুসলিম ৩৮৫
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আযানের জবাবের একটু বিস্তারিত নিয়ম এসেছে। সাধারণভাবে মুয়াযযিন যা বলেন, শ্রোতাও তাই বলবে। কিন্তু “হাইয়া আলাস সালাহ” এবং “হাইয়া আলাল ফালাহ” কথার জবাবে “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” বলা হবে। তাই আযানের জবাব শেখার সময় এই দুটি বাক্য আলাদা করে মনে রাখা দরকার। হাদিসে এটিকে আযানের জবাবের ফযীলাতের আলোচনার মধ্যে আনা হয়েছে। তবে অতিরঞ্জন না করে বলা যায়, এটি আযান শুনলে পালন করার একটি শেখানো যিকির। সালাতের দিকে ডাক শুনে মানুষ নিজের শক্তি নয়, আল্লাহর সাহায্যের কথা স্মরণ করে—এই অর্থটি এই জবাবে সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে। এতে আযানের জবাব মুখস্থ করা সহজ হয় এবং শ্রোতা আযানের কথাগুলোর অর্থ নিয়ে ভাবতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযানের জবাবে সব বাক্য একই নয়; দুই জায়গায় আলাদা জবাব আছে।
- “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ” আল্লাহর সাহায্য স্মরণ করায়।
- আযানের জবাব শেখা দৈনন্দিন সালাত জীবনের অংশ।
