২/৭. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ২৭৬ - তাকবীরের আগে কাঁধ বরাবর হাত উঠানো
সালাত সম্পাদনের পদ্ধতি - সালাতে দু’হাত উত্তোলন ও হাত উত্তোলনের স্থানসমূহ
কাঁধ বরাবর হাত উঠিয়ে তাকবীর: সালাতের সূচনার বর্ণনা
বুলুগুল মারাম : ২৭৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ২৭৬
وَفِي حَدِيثِ أَبِي حُمَيْدٍ, عِنْدَ أَبِي دَاوُدَ: يَرْفَعُ يَدَيْهِ حَتَّى يُحَاذِيَ بِهِمَا مَنْكِبَيْهِ, ثُمَّ يُكَبِّرَ
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
আবু হুমাইদ থেকে আবু দাউদে আছে- নবী (ﷺ) তাঁর উভয় কাঁধ বরাবর দু’ হাত ওঠাতেন তারপর আল্লাহু আকবার বলতেন।” [৩১২]
[৩১২] বুখারী ৮২৮, তিরমিযী ২৬০, ২৭০, ৩০৪, নাসায়ী ১১৮১, ইবনু মাজাহ ৮৬২, ৮৬৩. আহমাদ ২৩০৮৮, দারেমী ১৩০৭, ১৩৫৬
বুলুগুল মারাম হাদিস ২৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় আবূ হুমাইদ (রাঃ) থেকে এসেছে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর উভয় হাত কাঁধ বরাবর উঠাতেন, তারপর আল্লাহু আকবার বলতেন। এটি সালাত শুরু করার একটি নির্দিষ্ট ভঙ্গি তুলে ধরে। আগের বর্ণনাগুলোর মতো এখানেও সালাতে হাত উঠানোর বিষয়টি স্পষ্ট, তবে এখানে ক্রমটি বিশেষভাবে বলা হয়েছে—হাত উঠানো, তারপর তাকবীর। হাদিসটি আমাদের শেখায়, সালাতের বাহ্যিক ভঙ্গিও গুরুত্বহীন নয়। তাকবীর শুধু মুখের উচ্চারণ নয়; এর সঙ্গে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর বিনয় ও প্রস্তুতি জড়িত। তাই সালাতের শুরুতে শরীর, মুখ ও অন্তরকে ইবাদতের দিকে একসঙ্গে আনা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত শুরুতে কাঁধ বরাবর হাত উঠানোর বর্ণনা আছে।
- হাত উঠানোর পর আল্লাহু আকবার বলার ক্রম উল্লেখ হয়েছে।
- সালাতের বাহ্যিক ভঙ্গিও মনোযোগের অংশ।
- তাকবীরের মাধ্যমে আল্লাহর সামনে বিনয় নিয়ে দাঁড়ানো শেখা যায়।
