২/১৬. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৫২৩ - ইসতিসকার দোয়ায় হাত তোলার আদব
সালাতুল ইসতিসকা বা বৃষ্টির জন্য সালাত - বৃষ্টি প্রার্থনার দু‘আ করার সময় দু’ হাত উত্তোলন করা শরীয়তসম্মত
ইসতিসকার দোয়ায় হাতের পৃষ্ঠদেশ আকাশের দিকে করার শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৫২৩
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৫২৩
وَعَنْ أَنَسٍ - رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ - ﷺ - اسْتَسْقَى فَأَشَارَ بِظَهْرِ كَفَّيْهِ إِلَى السَّمَاءِ. أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইসতিকার সালাতে আকাশের দিকে হাতের পৃষ্ঠদেশ দ্বারা ইশারা করেছিলেন। [৫৫৯]
[৫৫৯] মুসলিম ৮৯৬, আবু দাউদ ১১৭১, ১৪৮৭, আহমাদ ৮৭৩০।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৫২৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইসতিসকার দোয়ার একটি বিশেষ আমল সংক্ষেপে এসেছে। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু জানান, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বৃষ্টি চাওয়ার সময় আকাশের দিকে হাতের পৃষ্ঠদেশ দ্বারা ইশারা করেছিলেন। সাধারণ দোয়ায় হাত তোলার কথা অনেকের জানা, কিন্তু এই হাদিসে ইসতিসকার সময় হাতের ভঙ্গির একটি আলাদা বর্ণনা আছে। ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কিছু যোগ না করলেও, মূল কথা স্পষ্ট: বৃষ্টি চাওয়ার সময় নবীজির দোয়ায় গভীর বিনয় ছিল এবং তিনি হাতের পৃষ্ঠদেশ আকাশের দিকে করেছিলেন। তাই ইসতিসকার হাদিস খুঁজলে এই বর্ণনাটি দোয়ার আদব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইসতিসকার দোয়ায় নবীজির হাত তোলার বিশেষ ভঙ্গি বর্ণিত হয়েছে।
- বৃষ্টি চাওয়া আল্লাহর কাছে বিনয়ের সঙ্গে করা নববী আমল।
- দোয়ার বাহ্যিক আদবও হাদিসে গুরুত্ব পেয়েছে।
- হাদিসের নির্দিষ্ট বর্ণনার বাইরে বাড়তি দাবি করা উচিত নয়।
