৫/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৫৬ - ফরজ রোযার রাতের নিয়ত
সাওমের নিয়্যাত অপরিহার্য
ফরজ রোযার জন্য রাতেই নিয়ত করার বিধান
বুলুগুল মারাম : ৬৫৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৫৬
وَعَنْ حَفْصَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا, عَنِ النَّبِيِّ - ﷺ - قَالَ: «مَنْ لَمْ يُبَيِّتِ الصِّيَامَ قَبْلَ الْفَجْرِ فَلَا صِيَامَ لَهُ». رَوَاهُ الْخَمْسَةُ, وَمَالَ النَّسَائِيُّ وَالتِّرْمِذِيُّ إِلَى تَرْجِيحِ وَقْفِهِ, وَصَحَّحَهُ مَرْفُوعًا ابْنُ خُزَيْمَةَ وَابْنُ حِبَّانَوَلِلدَّارَقُطْنِيِّ: لَا صِيَامَ لِمَنْ لَمْ يَفْرِضْهُ مِنَ اللَّيْلِ
হাফসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রাত থাকতে ফরজ রোজার নিয়ত করলো না তার রোজা হয়নি। -তিরমিযী ও নাসায়ী এর মাওকুফ হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন ইবনু খুযাইমাহ ও ইবনু হিব্বান এর মারফু হওয়াকে সঠিক বলেছেন। আর দারাকুৎনীর মধ্যে আছে- "তার সাওম হবে না যে রাতের বেলাতেই (ফরজ) সাওম পালন ঠিক (নিয়ত) না করবে।" [৭০২]
৭০২] আবু দাউদ ২৪৫৪, তিরমিযী ২৭৩০, নাসায়ী ২২৩১, ২২৩২, ২২৩৪, ইবনু মাজাহ ১৭০০, আহমাদ ২৫৯১৮, মুওয়াত্তা মালেক ৬২৭, দারেমী ৬৯৮
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৫৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি ফজরের আগে সাওমের নিয়ত স্থির করেনি, তার সাওম নেই। দারাকুৎনীর বর্ণনায় আছে, যে রাতের বেলাতেই ফরজ সাওম ঠিক করল না, তার সাওম হবে না। এখানে মূল বিষয় হলো ফরজ রোযার নিয়ত। হাদিসটি নফল সাওমের কথা বলছে না; বরং ফরজ সাওমের জন্য রাতের সিদ্ধান্তের কথা বলছে। তাই ফরজ রোযা, নিয়ত, ফজরের আগে সিদ্ধান্ত এবং সাওমের শুদ্ধতা—এসব বিষয় এ হাদিসে সরাসরি এসেছে। ব্যাখ্যায় বাড়তি ফিকহি আলোচনা না এনে বলা যায়, ফরজ সাওমে আগেভাগে মনস্থির করার গুরুত্ব এই হাদিসে স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফরজ সাওমের নিয়ত রাতেই স্থির করার গুরুত্ব এসেছে।
- ফজরের আগে সাওমের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট থাকা দরকার।
- হাদিসটি ফরজ রোযার নিয়তকে গুরুত্ব দিয়েছে।
- ইবাদতে নিয়ত অবহেলা করার বিষয় নয়।
