৫/১. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৮৭ - তাশরীকের দিন খাওয়া ও যিকরের দিন
নফল সওম ও তার নিষিদ্ধকাল - আইয়্যামুত তাশরীকের (ঈদুল আযহার পরবর্তী তিন দিন) রোযা রাখার বিধান
আইয়ামে তাশরীক: খাওয়া, পান করা ও আল্লাহর যিকরের দিন
বুলুগুল মারাম : ৬৮৭
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৮৭
وَعَنْ نُبَيْشَةَ الْهُذَلِيِّ - رضي الله عنه - قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ: «أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ, وَذِكْرٍ لِلَّهِ - عز وجل». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
নুবায়শাহ্ আল হুযালী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তাশরীকের দিনগুলো হচ্ছে (যিলহাজের ১১ হতে ১৩ তারিখ) খাওয়া, পানাহার ও আল্লাহ্ তাআলার যিকর আযকারের দিন। অর্থাৎ কুরবানীর দিনসহ তার পরে আরো তিনদিন মতান্তরে দু-দিন সাওম পালন নিষিদ্ধ। [৭৩২]
[৭৩২] মুসলিম ১১৪১, আহমাদ ২০১৯৮, ২০২০২।
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ বিন হাজার বিন আহমাদ আল আসকালানী আল কিনানী
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তাশরীকের দিনগুলোর পরিচয় খুব পরিষ্কারভাবে এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তাশরীকের দিনগুলো খাওয়া, পানাহার এবং আল্লাহ তাআলার যিকরের দিন। অনুবাদে বলা হয়েছে, যিলহজের ১১ থেকে ১৩ তারিখকে আইয়ামে তাশরীক বলা হয়। তাই এই দিনগুলোর মূল আমল হলো আল্লাহর স্মরণ, খাওয়া-পান করা এবং ঈদের ধারাবাহিক আনন্দে থাকা। হাদিসের আলোকে এগুলো সাধারণ নফল সাওমের দিন নয়। তবে ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত বিধান যোগ না করে মূল বর্ণনার কথাই ধরে রাখা উচিত। এখানে সাওমের চেয়ে আল্লাহর যিকরকে সামনে আনা হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাশরীকের দিনগুলো খাওয়া ও পান করার দিন।
- এই দিনগুলোতে আল্লাহর যিকর বিশেষভাবে স্মরণীয়।
- যিলহজের ১১, ১২ ও ১৩ তারিখ তাশরীকের দিন হিসেবে পরিচিত।
- সব দিনে নফল সাওমের সুযোগ এক রকম নয়।
