৫/১. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৮৬ - দুই ঈদের দিনে সাওম নিষেধ
নফল সওম ও তার নিষিদ্ধকাল - দু’ঈদে রোযা রাখার বিধান
ঈদের দিনে রোজা নিষেধ: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৬৮৬
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৬৮৬
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ - رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - ﷺ - نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ: يَوْمِ الْفِطْرِ، وَيَوْمِ النَّحْرِ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
অবশ্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দুটো দিন সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। -ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার (কুরবানীর) দিন।
[৭৩১] বুখারী ৩৬৭, ১৯৯১, ২১৪৪, ২১৪৭, ৫৮২০, ৫৮২২, মুসলিম ৮২৭, নাসায়ী ৫৬৬, ৫৬৭, আবূ দাউদ ২৪১৭, ইবনু মাজাহ ২১৭০, ২৫৫৯, আহমাদ ১০৬২৯, ১০৭১০ |
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ বিন হাজার বিন আহমাদ আল আসকালানী আল কিনানী
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বুলুগুল মারাম হাদিস ৬৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাওমের নিষিদ্ধ দিনের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুই দিন সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। একটি হলো ঈদুল ফিতরের দিন, আরেকটি হলো ঈদুল আযহার দিন। ঈদুল ফিতর আসে রমযানের সাওম শেষ করার পর আনন্দের দিন হিসেবে। আর ঈদুল আযহা কুরবানীর দিন। তাই এই দুই দিনে সাওম নয়, বরং আল্লাহর দেওয়া আনন্দ ও বিধানকে মানা গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসটি শেখায়, ইবাদত শুধু বেশি করার নাম নয়; সঠিক সময়ে সঠিক বিধান মানাও ইবাদতের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিনে সাওম রাখা নিষিদ্ধ।
- ইবাদতে নিজের ইচ্ছার চেয়ে রাসূলের নির্দেশ মানা জরুরি।
- ঈদের দিন মুসলিমদের আনন্দ ও আল্লাহর বিধান মানার দিন।
- সাওমের ফজিলত থাকলেও নিষিদ্ধ দিনে তা করা যাবে না।
