৭/১. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ৭৯৪ - পশুকে পাল দেওয়ার বিনিময় নিষেধ
ক্রয় বিক্রয়ের শর্তাবলী ও তার নিষিদ্ধ বিষয় - উদ্ধৃত পানি বিক্রয় করা এবং মাদী জন্তুর উপর নর উঠানোর মজুরী গ্রহণ করা নিষেধ
পশুকে পাল দেওয়ার পারিশ্রমিক: নিষিদ্ধ লেনদেনের শিক্ষা
বুলুগুল মারাম : ৭৯৪
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৭৯৪
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ -رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا- قَالَ: نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ - عَنْ عَسْبِ الْفَحْلِ. رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পশুকে পাল দেয়া বাবদ বিনিময় নিতে নিষেধ করেছেন।
বুলুগুল মারাম হাদিস ৭৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পশুকে পাল দেওয়া বাবদ বিনিময় নিতে নিষেধ করেছেন। আরবি শব্দে এটিকে ‘আসবুল ফাহল’ বলা হয়েছে। সহজ কথায়, নর পশুকে মাদী পশুর সঙ্গে মিলনের জন্য দেওয়া এবং সে কারণে পারিশ্রমিক নেওয়ার বিষয়টি এখানে এসেছে। হাদিসটি কেনা-বেচার এমন একটি দিক দেখায়, যেখানে আয়ের সুযোগ থাকলেও তা অনুমোদিত নয়। তাই ব্যবসা বা কৃষি-জীবনের লেনদেনেও শরীয়তের সীমা আছে। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, যে কোনো আয় নেওয়ার আগে কাজটি বৈধ কি না তা জানা দরকার। পশু পাল দেওয়ার বিনিময়, নিষিদ্ধ লেনদেন এবং হালাল উপার্জন—এইগুলো হাদিসটির মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পশুকে পাল দেওয়া বাবদ পারিশ্রমিক নেওয়ার নিষেধ এসেছে।
- কৃষি বা পশুপালনেও লেনদেনের শরয়ী সীমা আছে।
- আয়ের সুযোগ থাকলেই তা গ্রহণযোগ্য হয় না।
- হালাল উপার্জনের জন্য কাজের বৈধতা জানা দরকার।
