৫/১. অধ্যায়ঃ
عَنْ أَبيْ هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي أَوْ عَلَى النَّاسِ - لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ صَلاَةٍ متفقٌ عَلَيْهِ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যদি আমি আমার উম্মতের উপর বা লোকেদের উপর কঠিন মনে না করতাম, তাহলে প্রতিটি নামাজের সাথে দাঁতন করার আদেশ দিতাম।”
(বুখারী ৮৮৭, মুসলিম ৬১২নং)
عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِى لَفَرَضْتُ عَلَيْهِمُ السِّوَاكَ مَعَ الْوُضُوءِ وَلأَخَّرْتُ صَلاَةَ الْعِشَاءِ إِلَى نِصْفِ اللَّيْلِ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “আমি আমার উম্মতের পক্ষে কষ্টকর না জানলে (প্রত্যেক) ওজুর সাথে দাঁতন করা ফরজ করতাম এবং এশার নামাজ অর্ধেক রাত পর্যন্ত দেরি করে পড়তাম।”
(হকেম ৫১৬, বাইহাকী ১৪৬, সহীহুল জামে’ ৫৩১৯ নং)
وَعَن حُذَيْفَةَ قَالَ : كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِذَا قَامَ مِن النَّومِ يَشُوصُ فَاهُ بِالسِّوَاكِ متفقٌ عَلَيْ
তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন ঘুম থেকে উঠতেন, তখন তিনি দাঁতন দিয়ে দাঁত মেজে নিতেন।
(বুখারী ২৪৫, ১১৩৬ মুসলিম ৬১৬-৬১৮নং)
وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا قَالَت : كُنَّا نُعِدُّ لِرَسُولِ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم سِوَاكَهُ وَطَهُورَهُ فَيَبْعَثُهُ اللهُ مَا شَاءَ أَنْ يَبْعَثَهُ مِنَ اللَّيْلِ فَيَتَسَوَّكُ وَيَتَوضَّأُ وَيُصَلِّي رواه مسلم
তিনি বলেন, “আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর জন্য দাঁতন ও ওজুর পানি প্রস্তুত করে রাখতাম। অতঃপর আল্লাহর যখন রাতে তাঁকে জাগাবার ইচ্ছা হত, তখন তিনি জেগে উঠতেন। সুতরাং দাঁতন করতেন এবং ওজু করে নামাজ পড়তেন।’
(মুসলিম ১৭৭৩নং)
وَعَن أَنَسٍ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم أَكْثَرْتُ عَلَيْكُمْ فِي السِّوَاكِ رواه البخاري
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদেরকে দাঁতন করার জন্য বেশি তাকীদ করেছি।
(বুখারী৮৮৮নং)
وَعَن شُرَيحِ بنِ هَانِىءٍ قَالَ : قُلتُ لِعَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا : بِأَيِّ شَيْءٍ كَانَ يَبْدَأُ النَّبِيُّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِذَا دَخَلَ بَيْتَهُ ؟ قَالَتْ : بِالسِّوَاكِ رواه مسلم
তিনি বলেন, একদা আমি আয়েশা (রাঃ)কে জিজ্ঞাসা করলাম, নবী (ﷺ) নিজ বাড়িতে প্রবেশ করে সর্বপ্রথম কী কাজ করতেন?” তিনি বললেন, ‘দাঁতন করতেন।’
(মুসলিম ৬১৩নং)
وَعَنْ أَبيْ مُوسَى الأَشعَرِي قَالَ : دَخَلتُ عَلَى النَّبيِّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم وَطَرَفُ السِّوَاكِ عَلَى لِسَانِهِ متفقٌ عَلَيْهِ وهذا لفظ مسلمٍ
তিনি বলেন, একদা আমি নবী (ﷺ) -এর নিকট প্রবেশ করলাম, তখন দাঁতনের একটি দিক তাঁর জিভের উপর রাখা ছিল।
(বুখারী ২৪৪, মুসলিম ৬১৫, এ শব্দগুলি মুসলিমের)
وَعَن عَائِشَة رَضِيَ اللهُ عَنهَا : أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ السِّوَاكُ مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ مَرْضَاةٌ للرَّبِّ رواه النسائي وابنُ خُزَيْمَةَ في صحيحهِ بأسانيدَ صحيحةٍ
নবী (ﷺ) বলেছেন, “দাঁতন মুখ পবিত্র রাখার ও প্রভুর সন্তুষ্টি লাভের উপকরণ।”
(আহমদ ২৪২০৩, নাসাঈ ৫, ইবনে খু্যাইমাহ ১৩, ইবনে হিব্বান ১০৬৭, দারেমী ৬৮৪, বুখারী বিনা সনদে, সহীহ তারগীব ২০২নং)
عَن عَلِيٍّ رَضِيَ اللهُ عَنهُ ُأَنَّهُ أَمَرَ بِالسِّوَاكِ وَقَالَ : قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا تَسَوَّكَ ثُمَّ قَامَ يُصَلِّي قَامَ الْمَلَكُ خَلْفَهُ فَتَسَمَّعَ لِقِرَاءَتِهِ فَيَدْنُو مِنْهُ أَوْ كَلِمَةً نَحْوَهَا حَتَّى يَضَعَ فَاهُ عَلَى فِيهِ فَمَا يَخْرُجُ مِنْ فِيهِ شَيْءٌ مِنَ الْقُرْآنِ إِلاَّ صَارَ فِي جَوْفِ الْمَلَكِ فَطَهِّرُوا أَفْوَاهَكُمْ لِلْقُرْآنِ
তিনি দাঁতন আনতে আদেশ দিয়ে বললেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, “বান্দা যখন নামাজ পড়তে দণ্ডায়মান হয় তখন ফেরেশতা তার পিছনে দণ্ডায়মান হয়ে তার ক্বিরাআত শুনতে থাকেন। ফেরেশতা তার নিকটবর্তী হন; পরিশেষে তিনি নিজ মুখ তার (বান্দার) মুখে মিলিয়ে দেন। ফলে তার মুখ হতে কোরআনের যেটুকুই অংশ বের হয় সেটুকু অংশই ফেরেশতার পেটে প্রবেশ করে যায়। সুতরাং কোরআনের জন্য তোমরা তোমাদের মুখকে পবিত্র কর।”
(বাইহাকী ১৬১, বা্যযার ৬০৩, সহীহ তারগীব ২১৫নং)
عَن سَمُرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم طَيِّبُوا أَفْوَاهَكُمْ بِالسِّوَاكِ فَإِنَّهَا طُرُقُ الْقُرْآنِ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “মিসওয়াক করে তোমরা তোমাদের মুখকে পবিত্র কর। কারণ, মুখ হল কোরআনের পথ।”
(বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ২১১৯, সঃ জামে ৩৯৩৯নং)