০/১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১০১ - আয়িশা ও আবু বকরের প্রতি ভালোবাসা
আবু বাক্র সিদ্দীক (রাঃ)- এর সম্মান
রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রিয়জন: আয়িশা ও আবু বকর
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১০১
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، وَالْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَرْوَزِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَىُّ النَّاسِ أَحَبُّ إِلَيْكَ قَالَ " عَائِشَةُ ". قِيلَ مِنَ الرِّجَالِ قَالَ " أَبُوهَا " .
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বলা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! কোন ব্যক্তি আপনার নিকট অধিক প্রিয়? তিনি বলেন, আয়িশাহ (রাঃ)। আবার বলা হলো, পুরুষদের মধ্যে? তিনি বলেন, তাঁর পিতা।
[৯৯] তিরমিযী ৩৮৯০ তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে জিজ্ঞেস করা হয়, মানুষের মধ্যে তাঁর কাছে কে বেশি প্রিয়। তিনি বলেন, আয়িশা (রাঃ)। এরপর পুরুষদের মধ্যে কে বেশি প্রিয়, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁর পিতা, অর্থাৎ আবু বকর (রাঃ)। এই বর্ণনায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর ভালোবাসার একটি পরিষ্কার দিক ফুটে ওঠে। এখানে আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা যেমন প্রকাশ পেয়েছে, তেমনি আবু বকর (রাঃ)-এর বিশেষ অবস্থানও বোঝা যায়। হাদিসের শিক্ষা হলো, ভালোবাসা ও সম্মান ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ। সাহাবী ও নবী-পরিবারের প্রতি সুন্দর দৃষ্টিভঙ্গি রাখা মুসলিম জীবনের ভালো গুণ। আবু বকর ফজিলত ও আয়িশা (রাঃ)-এর মর্যাদা বুঝতে এই হাদিস সহজ ও শক্তিশালী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আয়িশা (রাঃ)-কে বিশেষভাবে ভালোবাসতেন।
- পুরুষদের মধ্যে আবু বকর (রাঃ)-এর মর্যাদা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
- পরিবার ও সাহাবীদের প্রতি ভালোবাসা ইসলামের সুন্দর শিক্ষা।
- প্রিয়জনের কথা বলার সময় সত্য ও পরিষ্কার উত্তর দেওয়া উত্তম।
