৫/৭৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১০৮০ - সালাত ত্যাগের ভয়াবহ সতর্কতা
সালাত ত্যাগকারীর বিধান।
সালাত ত্যাগের ভয়াবহতা: মুমিন ও শিরকের মাঝে পার্থক্য
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১০৮০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১০৮০
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ الرَّقَاشِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنِ النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ قَالَ «لَيْسَ بَيْنَ الْعَبْدِ وَالشِّرْكِ إِلاَّ تَرْكُ الصَّلاَةِ فَإِذَا تَرَكَهَا فَقَدْ أَشْرَكَ».
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, মুমিন বান্দা ও শিরক-এর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত বর্জন করা। অতএব যে ব্যক্তি সালাত ত্যাগ করলো, সে অবশ্যই শিরক করলো।
[১০৮০] সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ তারগীব ৫৬৫, ১৬৬৭।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১০৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) সালাত ত্যাগের বিষয়ে খুব কঠিন সতর্কতা দিয়েছেন। হাদিসের মূল কথা হলো, মুমিন বান্দা ও শিরকের মধ্যে পার্থক্য হিসেবে সালাত বর্জনকে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সালাত শুধু একটি দৈনিক কাজ নয়; এটি ঈমানি জীবনের বড় পরিচয়। যে ব্যক্তি সালাতকে ছেড়ে দেয়, তার জন্য হাদিসে শিরকের মতো ভয়াবহ শব্দ এসেছে। তাই নামাজ ত্যাগের শাস্তি, সালাতের গুরুত্ব এবং ঈমান রক্ষার বিষয়টি এখানে একসাথে বোঝা যায়। এই বর্ণনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সালাতের ব্যাপারে অবহেলা করা সাধারণ দুর্বলতা হিসেবে নেওয়া ঠিক নয়। বরং নিয়মিত সালাত আদায় মুমিনের জন্য বড় দায়িত্ব।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত মুমিন জীবনের বড় পরিচয়।
- সালাত ত্যাগ করা অত্যন্ত ভয়াবহ বিষয়ে পরিণত হতে পারে।
- নামাজের ব্যাপারে অবহেলা না করে দ্রুত সংশোধনের চেষ্টা করা উচিত।
