১/৩৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪৮ - সালাত ছেড়ে দেওয়ার ভয়াবহতা
সলাত পরিত্যাগকারীর উপর কুফর শব্দের প্রয়োগ
সালাত ছেড়ে দেওয়ার হাদিস: শির্ক ও কুফরের সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ১৪৮
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৪৮
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى التَّمِيمِيُّ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، كِلاَهُمَا عَنْ جَرِيرٍ، قَالَ يَحْيَى أَخْبَرَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرًا، يَقُولُ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ " إِنَّ بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكَ الصَّلاَةِ " .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেয়া।
ই.ফা. ১৪৯; ই.সে. ১৫৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم খুব পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, বান্দা এবং শির্ক ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে সালাত ছেড়ে দেওয়া। তাই ‘সালাত ছেড়ে দেওয়ার হাদিস’ খুঁজলে এই বর্ণনাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সালাতকে শুধু একটি আমল হিসেবে নয়, বরং ঈমানের পরিচয়ের বড় চিহ্ন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। হাদিসটি কাউকে দ্রুত রায় দেওয়ার জন্য নয়; বরং নিজের নামাজের ব্যাপারে ভয়, যত্ন ও নিয়মিততা তৈরি করার জন্য। সালাত ত্যাগ, শির্ক ও কুফর—এই শব্দগুলো এখানে খুব কঠিন সতর্কতা হিসেবে এসেছে। একজন মুসলিমের জন্য এ বাণী নামাজের গুরুত্ব বুঝতে এবং সালাতকে জীবনের নিয়মিত অংশ বানাতে শক্ত কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে নামাজের ব্যাপারে নিয়মিত থাকা, দেরি না করা এবং অবহেলা না করা—এসব বিষয়ে হাদিসটি সরাসরি সতর্ক করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত ছেড়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুতর সতর্কতার বিষয়।
- নামাজ ঈমানি জীবনের বড় পরিচয়।
- এই হাদিস নিজের সালাত ঠিক করার দিকে ডাকে।
