১/৩৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪৯ - সালাত পরিত্যাগের কঠিন সতর্কতা
সলাত পরিত্যাগকারীর উপর কুফর শব্দের প্রয়োগ
সালাত পরিত্যাগ: শিরক-কুফরের পার্থক্য নিয়ে নববী সতর্কতা
সহীহ মুসলিম : ১৪৯
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ১৪৯
حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ الْمِسْمَعِيُّ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ «بَيْنَ الرَّجُلِ وَبَيْنَ الشِّرْكِ وَالْكُفْرِ تَرْكُ الصَّلاَةِ " .
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, বান্দা এবং শিরক-কুফরের পার্থক্য সালাত পরিত্যাগ করা।
ই.ফা. ১৫০; ই.সে. ১৫৫
সহীহ মুসলিম হাদিস ১৪৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, বান্দা এবং শিরক-কুফরের পার্থক্য হলো সালাত পরিত্যাগ করা। অর্থাৎ নামাজ ত্যাগ করা শুধু অলসতা বা সাধারণ অবহেলা নয়; এটি ঈমানি জীবনের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সালাত পরিত্যাগ, নামাজের গুরুত্ব এবং কুফরের সতর্কতা—এসব বিষয় এই হাদিসে খুব শক্তভাবে এসেছে। এখানে মূল লক্ষ্য হলো একজন মুসলিম যেন নিজের সালাতকে হালকা না ভাবে। প্রতিদিনের নামাজ মানুষের আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ককে জীবিত রাখে। এই বর্ণনা আমাদের শেখায়, সালাতের বিষয়ে অবহেলা করলে আত্মার ক্ষতি হয় এবং মানুষ বড় বিপদের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। তাই নামাজে নিয়মিত হওয়া মুমিনের জন্য জরুরি দায়িত্ব। এ কারণে এই বর্ণনা মুসলিমকে নিজের নামাজের হিসাব নিতে এবং সালাতকে জীবনের কেন্দ্রীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত পরিত্যাগ ঈমানি জীবনের জন্য বড় বিপদের সতর্কতা।
- নামাজকে হালকা মনে করা উচিত নয়।
- হাদিসটি সালাতের নিয়মিততা রক্ষায় জোর দেয়।
