৫/৯০. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১১৯ - জুমার সালাতে সূরা গাশিয়াহ
জুমুআহ্র সলাতের কিরাআত।
জুমার সালাতে সূরা গাশিয়াহ: সূরা জুমুআর সঙ্গে নববী কিরাআত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১১১৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১১১৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ، أَنْبَأَنَا ضَمْرَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كَتَبَ الضَّحَّاكُ بْنُ قَيْسٍ إِلَى النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ أَخْبِرْنَا بِأَىِّ، شَىْءٍ كَانَ النَّبِيُّ ـ ﷺ ـ يَقْرَأُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ مَعَ سُورَةِ الْجُمُعَةِ قَالَ كَانَ يَقْرَأُ فِيهَا ﴾هَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ الْغَاشِيَةِ﴿ .
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(উবায়দুল্লাহ) বলেন, দহ্হাক বিন কায়স (রাঃ) নু‘মান বিন বাশীর (রাঃ) -কে লিখে পাঠান যে, নবী (ﷺ) জুমুআহ্র সালাতে সূরা জুমুআহ্র সাথে আর কোন সূরা পড়তেন তা আপনি আমাদের অবহিত করুন। তিনি বলেন, তিনি (ﷺ) ‘হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়াহ’ সূরা পড়তেন।
[১১১৯] মুসলিম ৮৭১-২, তিরমিযী ৫৩৩, নাসায়ী ১৪২৩-২৪, আবূ দাঊদ ১১২২-২৩, আহমাদ ১৭৯১৪। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহ আবী দাউদ ১০২৮।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১১১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উবাইদুল্লাহ বলেন, দহহাক বিন কায়স (রাঃ) নুমান বিন বাশীর (রাঃ)-কে লিখে জানতে চান, নবী صلى الله عليه وسلم জুমুআহর সালাতে সূরা জুমুআহর সঙ্গে আর কোন সূরা পড়তেন। উত্তরে তিনি বলেন, তিনি صلى الله عليه وسلم “হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়াহ” অর্থাৎ সূরা গাশিয়াহ পড়তেন। এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জুমার সালাতে কিরাআত। “জুমার সালাতে সূরা গাশিয়াহ”, “সূরা জুমুআর সঙ্গে কোন সূরা” এবং “জুমার নামাজে কিরাআত” এ বর্ণনার প্রধান কীওয়ার্ড। হাদিসে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে জ্ঞান যাচাই করার সুন্দর দিকও আছে। তবে এখানে কেবল নির্দিষ্ট সূরার কথা বলা হয়েছে, অন্য কিরাআতের আলোচনা নয়। তাই জুমার সালাতে কোন সূরা পড়া হয়েছে—এ বিষয়ে এটি নির্দিষ্ট ও সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। এতে পাঠক হাদিসের মূল কথাটি সহজে ধরে রাখতে পারেন এবং অপ্রমাণিত বাড়তি দাবি থেকে বাঁচতে পারেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার সালাতে সূরা জুমুআহর সঙ্গে সূরা গাশিয়াহ পড়ার বর্ণনা এসেছে।
- সাহাবিরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর কিরাআত সম্পর্কে একে অন্যের কাছে জানতে চাইতেন।
- হাদিসটি জুমার সালাতে কিরাআতের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ দেয়।
- নির্দিষ্ট হাদিস থেকে অতিরিক্ত সাধারণ সিদ্ধান্ত না নেওয়া ভালো।
