০/১৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১২২ - যুবাইর (রাঃ) নবীর হাওয়ারী
যুবায়র (রাঃ)-এর সম্মান
যুবাইর (রাঃ)-এর মর্যাদা: আমার হাওয়ারী হলো যুবাইর
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১২২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১২২
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ يَوْمَ قُرَيْظَةَ «مَنْ يَأْتِينَا بِخَبَرِ الْقَوْمِ». فَقَالَ الزُّبَيْرُ أَنَا . فَقَالَ «مَنْ يَأْتِينَا بِخَبَرِ الْقَوْمِ». قَالَ الزُّبَيْرُ أَنَا . ثَلاَثًا فَقَالَ النَّبِيُّ ـ ﷺ ـ " لِكُلِّ نَبِيٍّ حَوَارِيٌّ وَإِنَّ حَوَارِيَّ الزُّبَيْرُ " .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বনূ কুরায়যার যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ কে আমাদের নিকট (কাফির) সম্প্রদায়ের তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে? যুবয়র (রাঃ) বলেন, আমি। তিনি পুনরায় বলেন, কে আমাদের নিকট (কাফির) সম্প্রদায়ের তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে আসবে? যুবয়র (রাঃ) বলেন, আমি। এভাবে তিনবার এ কথার পুনরাবৃত্তি হয়। নবী (ﷺ) বলেন, প্রত্যেক নবীর হাওয়ারী (জানবাজ সহচর) ছিল, আমার হাওয়ারী হলো যুবায়র।
[১] বুখারী ২৮৪৬, মুসলিম ২৪১৫, তিরমিযী ৩৭৪৫, আহমাদ ১৩৮৮৫, ১৩৯৬৫, ১৪২২৩, ১৪৫১৯। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১২২-এর সারসংক্ষেপ
বনু কুরায়যার যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জানতে চাইলেন, কে শত্রু সম্প্রদায়ের খবর এনে দেবে। যুবাইর (রাঃ) সঙ্গে সঙ্গে বললেন, “আমি।” প্রশ্নটি তিনবার করা হয়, আর প্রতিবারই যুবাইর (রাঃ) নিজেকে প্রস্তুত করেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, প্রত্যেক নবীর হাওয়ারী বা জানবাজ সহচর ছিল, আর আমার হাওয়ারী হলো যুবাইর। এই হাদিসে যুবাইর (রাঃ)-এর সাহস, দ্রুত সাড়া দেওয়া এবং দ্বীনের কাজে প্রস্তুত থাকার গুণ ফুটে উঠেছে। এখানে যুদ্ধের তথ্য সংগ্রহের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে তাঁর আগ্রহ দেখা যায়। তাই এই বর্ণনা যুবাইর (রাঃ)-এর ফজিলত ও সাহাবীদের আত্মত্যাগের পরিচয় দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের প্রয়োজনীয় কাজে সাহসের সঙ্গে এগিয়ে আসা প্রশংসনীয়।
- যুবাইর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ আস্থাভাজন সাহাবী ছিলেন।
- ঝুঁকিপূর্ণ কাজেও সত্য ও দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত থাকা বড় গুণ।
- সাহাবীদের মর্যাদা তাঁদের কাজ ও নবীর স্বীকৃতির মাধ্যমে জানা যায়।
