৫/১৮৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৮০ - চাশতের সালাতের ফজিলত ও জান্নাতের পুরস্কার
চাশতের সালাত।
চাশতের সালাতের ফজিলত: বারো রাকাতের বড় পুরস্কার
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৩৮০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৩৮০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَنَسٍ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " مَنْ صَلَّى الضُّحَى ثِنْتَىْ عَشْرَةَ رَكْعَةً بَنَى اللَّهُ لَهُ قَصْرًا مِنْ ذَهَبٍ فِي الْجَنَّةِ " .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি বার রাকআত চাশতের সালাত পড়লো, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি স্বর্ণের ইমারত নির্মাণ করেন।
[১৩৮০] তিরমিযী ৪৭৩ তাহক্বীক্ব আলবানী: যঈফ। তাখরীজ আলবানী: জামি সগীর ৪৬৫৮, তিরমিযী ৪৭৩, মিশকাত ১৩১৬, যঈফ তারগীব ৪০৩, ৪০৫ সকল বর্ণনায়, রওয়ুন লাসীর ১১১, মিশকাত ১৩১৬। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন ইসহাক সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাসানুল হাদিস। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি সালিহ।২. মুসা বিন (ফুলান বিন) আনাস সম্পর্কে ইমামগণ বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে চাশতের সালাতের একটি বিশেষ ফজিলত বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি বারো রাকাত চাশতের সালাত পড়বে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে স্বর্ণের একটি ইমারত নির্মাণ করবেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো, দিনের শুরুতে নফল সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর দিকে ফিরে আসা অনেক বড় কল্যাণের কাজ। চাশতের নামাজ মানুষকে ব্যস্ত দিনের মাঝেও ইবাদতের সাথে যুক্ত রাখে। হাদিসের ভাষায় পুরস্কারের কথা খুব স্পষ্টভাবে এসেছে, তাই এ বিষয়ে বাড়তি দাবি না করে এতটুকুই বলা যায় যে, বারো রাকাত চাশতের সালাতের জন্য জান্নাতে বিশেষ প্রতিদানের কথা বর্ণিত হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- চাশতের সালাত নফল ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল।
- বারো রাকাত চাশতের সালাতের জন্য জান্নাতে বিশেষ পুরস্কারের কথা এসেছে।
- দিনের সময়েও নফল সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য চাওয়া যায়।
