৭/২৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৯৬ - বিলালের আজান ও সাহরীর সময়
বিলম্বে সাহরী খাওয়া
বিলালের আজান ও সাহরী: ফজরের সময় বোঝার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৬৯৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৬৯৬
- حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ وَابْنُ أَبِي عَدِيٍّ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ ﷺ ﷺ قَالَ لَا يَمْنَعَنَّ أَحَدَكُمْ أَذَانُ بِلَالٍ مِنْ سُحُورِهِ فَإِنَّهُ يُؤَذِّنُ لِيَنْتَبِهَ نَائِمُكُمْ وَلِيَرْجِعَ قَائِمُكُمْ وَلَيْسَ الْفَجْرُ أَنْ يَقُولَ هَكَذَا وَلَكِنْ هَكَذَا يَعْتَرِضُ فِي أُفُقِ السَّمَاءِ
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, বিলালের আজান যেন তোমাদের কাউকে তার সাহরী খাওয়া থেকে বিরত না রাখে। কেননা সে তোমাদের ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগাবার বা সতর্ক করার জন্য এবং তোমাদের সালাতীকে সালাতে রত বা অবসর হওয়ার জন্য আজান দিয়ে থাকে। আর এ সময়কে ফজর বলা হয় না, বরং উর্ধাকাশে আড়াআড়িভাবে সাদা আভা প্রকাশ পাওয়াই ফজর।
[১৬৯৬] সহীহুল বুখারী ৬২১, ৫২৯৯, ৭২৪৭, মুসলিম ১০৯৩, নাসায়ী ৬৪১, ২১৭০, আবূ দাউদ ২৩৪৭ আহমাদ ৩৬৪৬, ৩৭০৯, ৪১৩৬, সহীহ আবী দাউদ ২০৩২, ইরওয়াহ ৪/৩১, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৬৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, বিলালের আজান যেন কাউকে সাহরী খাওয়া থেকে বিরত না রাখে। কারণ তিনি ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগানোর জন্য এবং সালাতে থাকা ব্যক্তিকে সতর্ক করার জন্য আজান দিতেন। এরপর ফজরের পরিচয়ও বোঝানো হয়েছে—ঊর্ধ্বাকাশে আড়াআড়িভাবে সাদা আভা প্রকাশ পাওয়াই ফজর। হাদিসটি সাহরীর সময় নিয়ে ভুল ধারণা দূর করে। শুধু কোনো শব্দ শুনে নয়, ফজরের সঠিক সময় বুঝে আমল করতে হবে। রোযা শুরু হওয়ার সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই সাহরী, আজান ও ফজরের মধ্যে পার্থক্য জানা দরকার। এই বর্ণনা সময়ের ব্যাপারে সচেতনতা শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলালের আজান সাহরী বন্ধ করার আজান ছিল না বলে হাদিসে এসেছে।
- ফজরের সঠিক লক্ষণ বোঝা জরুরি।
- রোযার সময়সীমা নিয়ে সতর্ক থাকা দরকার।
- আজান ও ফজরের সময় সম্পর্কে জ্ঞান থাকা ইবাদতে সহায়ক।
