১১/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২১০৬ - ইনশাআল্লাহ বললে শপথ ভঙ্গ নয়
শপথের সাথে ইনশাআল্লাহ যুক্ত করা।
ইনশাআল্লাহ বললে শপথ ভঙ্গ নয়: কসমের সহজ শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২১০৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২১০৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ الزُّهْرِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ رِوَايَةً قَالَ مَنْ حَلَفَ وَاسْتَثْنَى فَلَنْ يَحْنَثْ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, যে ব্যক্তি শপথের সাথে ইনশাআল্লাহ যুক্ত করে, সে শপথ ভঙ্গকারী নয়।
[২১০৬] ইবনু মাজাহ ২১০৫, তিরমিযী ১৫৩১, নাসায়ী ৩৭৯৩, আবূ দাউদ ৩২৬১, ৩২৬২, আহমাদ ৪৪৯৬, ৪৫৬৭, ৫০৭৪, ৬৩৭৮, মুয়াত্তা মালেক ১০৩৩, দারেমী ২৩৪২। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ্।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২১০৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শপথের ভাষা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি শপথের সাথে ইনশাআল্লাহ যুক্ত করে, সে শপথ ভঙ্গকারী নয়। এখানে “ইনশাআল্লাহ” শব্দটি মানুষের সীমাবদ্ধতা মনে করিয়ে দেয়। আমরা কোনো কাজের ইচ্ছা করতে পারি, কথা দিতে পারি, এমনকি শপথও করতে পারি; কিন্তু কাজের চূড়ান্ত ফল আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে নয়। তাই শপথের ক্ষেত্রে ইনশাআল্লাহ বলা মুখের সৌন্দর্য নয়, বরং ঈমানী বিনয়ের ভাষা। হাদিসটি আমাদের শেখায়, কসমকে হালকা না করা এবং নিজের কথাকে আল্লাহর ইচ্ছার সাথে যুক্ত রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শপথের সাথে ইনশাআল্লাহ বলার গুরুত্ব আছে।
- মানুষের ইচ্ছা আল্লাহর ইচ্ছার অধীন।
- কসমের ভাষা সহজ হলেও তার প্রভাব বড় হতে পারে।
- নিজের কথা বলার সময় ঈমানী বিনয় রাখা দরকার।
