২৫/৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৮৮৯ - অশালীনতা ছাড়া হজ্জের পবিত্র প্রতিদান
হজ্জ ও ‘উমরার ফযিলত
অশালীনতা ও পাপ থেকে বেঁচে হজ্জ আদায়ের ফজিলত
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৮৮৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৮৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، وَسُفْيَانَ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " مَنْ حَجَّ هَذَا الْبَيْتَ فَلَمْ يَرْفُثْ وَلَمْ يَفْسُقْ رَجَعَ كَمَا وَلَدَتْهُ أُمُّهُ " .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এই ঘরের হজ করেছে এবং তাতে অশালীন কথাবার্তা বা আচরণ করেনি, সে এমন অবস্থায় প্রত্যাবর্তন করবে যেমন তার মা তাকে (নিষ্পাপ) প্রসব করেছে।
[২৮৮৯] সহীহুল বুখারী ১৫২১, মুসলিম ১৩৫০, তিরমিযী ৮১১, নাসায়ী ২৬২৭, আহমাদ ৭০৯৬, ৭৩৩৪, ৯০৫৬, ৯৯০৪, ১০০৩৭, দারেমী ১৭৯৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৮৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো পবিত্রভাবে হজ্জ আদায় করা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই ঘরের হজ্জ করে এবং অশালীন কথাবার্তা বা আচরণ করে না, সে এমন অবস্থায় ফিরে আসে যেমন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছে। হাদিসটি হজ্জের বাহ্যিক কাজের পাশাপাশি ভেতরের শুদ্ধতাকেও গুরুত্ব দেয়। শুধু মক্কায় যাওয়া নয়, জিহ্বা, আচরণ ও মনকে পাপ থেকে বাঁচানোও হজ্জের অংশ। অশালীনতা, ঝগড়া বা পাপের আচরণ থেকে দূরে থাকলে হজ্জ বান্দার জীবনে নতুন শুরু করার বড় কারণ হতে পারে। তাই হজ্জের ফজিলত বুঝতে হলে আদব ও আত্মসংযমকে গুরুত্ব দিতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জে অশালীন কথা ও আচরণ থেকে বাঁচা জরুরি।
- পবিত্র হজ্জ গুনাহ মাফের বড় কারণ হিসেবে এসেছে।
- হজ্জ শুধু শরীরের সফর নয়, চরিত্রের সংশোধনও।
- ইবাদতের সময় জিহ্বা ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
