২৫/১২. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৯১২ - নিফাসে ইহরাম ও তাওয়াফ থেকে বিরত থাকা

হায়েয ও নিফাসগ্রস্ত মহিলারা হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধলে

নিফাসে ইহরাম বাঁধা, কিন্তু বায়তুল্লাহ তাওয়াফ নয়

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৯১২

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلاَلٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّهُ خَرَجَ حَاجًّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ـ ﷺ ـ وَمَعَهُ أَسْمَاءُ بِنْتُ عُمَيْسٍ فَوَلَدَتْ بِالشَّجَرَةِ مُحَمَّدَ بْنَ أَبِي بَكْرٍ فَأَتَى أَبُو بَكْرٍ النَّبِيَّ ـ ﷺ ـ فَأَخْبَرَهُ فَأَمَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ أَنْ يَأْمُرَهَا أَنْ تَغْتَسِلَ ثُمَّ تُهِلَّ بِالْحَجِّ وَتَصْنَعَ مَا يَصْنَعُ النَّاسُ إِلاَّ أَنَّهَا لاَ تَطُوفُ بِالْبَيْتِ .

আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর সাথে হজ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন। তাঁর সাথে (তাঁর স্ত্রী) উমায়স-কন্যা আসমা’ (রাঃ) -ও ছিলেন। তিনি শাজারা নামক স্থানে মুহাম্মাদ বিন আবূ বাকর-কে প্রসব করলেন। আবূ বাকর (রাঃ) নবী (ﷺ) এর নিকট এসে তাঁকে এ সম্পর্কে অবহিত করেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁকে নির্দেশ দেন যে, তিনি যেন তাঁকে গোসল করার পর হজ্জের ইহরাম বাঁধার এবং লোকেদের অনুরূপ অনুষ্ঠানাদি পালনের নির্দেশ দেন, কিন্তু সে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করবে না।

[২৯১২] নাসায়ী ২৬৬৪, সহীহ আবু দাউদ ১৫৩১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী খালিদ বিন মাখলাদ আল-কাতওয়ানী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আলী আল জুরজানী বলেন, ইনশাআল্লাহ্ আমার আমার নিকট তার ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহণ করা যায় তবে তা দলীলযোগ্য নয়। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে শীয়া মতাবলম্বী। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে শীয়া মতাবলম্বী। ইমাম যাহাবী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহণ করা যায় তবে তা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৬৫২, ৮/১৬৩ নং পৃষ্ঠা)

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৯১২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আবু বকর (রাঃ) রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সাথে হজ্জে বের হন। তাঁর সাথে আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ) ছিলেন। শাজারা নামক স্থানে তিনি মুহাম্মাদ বিন আবু বকরকে প্রসব করেন। আবু বকর (রাঃ) বিষয়টি নবী صلى الله عليه وسلم-কে জানালে তিনি নির্দেশ দেন, আসমা যেন গোসল করে হজ্জের ইহরাম বাঁধেন এবং মানুষের মতো হজ্জের কাজগুলো করেন; তবে তিনি বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করবেন না। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, নিফাস অবস্থায় ইহরাম ও হজ্জের কাজ নিয়ে নির্দিষ্ট নির্দেশ আছে। এখানে “নিফাসে তাওয়াফ”, “ইহরাম বাঁধা” এবং “আসমা বিনতে উমাইস” মূল সার্চ কীওয়ার্ড।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নিফাস অবস্থায় গোসল করে ইহরাম বাঁধার নির্দেশ এসেছে।
  • লোকদের মতো হজ্জের কাজ করতে বলা হলেও বায়তুল্লাহ তাওয়াফ থেকে বিরত থাকার কথা এসেছে।
  • বিশেষ অবস্থায় হজ্জের কাজ কীভাবে হবে, তা জানতে জিজ্ঞেস করা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন