২৫/১৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৯১৯ - রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর তালবিয়া
তালবিয়া
রাসূল صلى الله عليه وسلم-এর তালবিয়া: হজ্জে তাওহীদের ঘোষণা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৯১৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৯১৯
حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ أَخْزَمَ، حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ كَانَتْ تَلْبِيَةُ رَسُولِ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَ لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَ إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ " .
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর তালবিয়া ছিল নিম্নরূপঃ “লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়কা, লাব্বায়কা লা শারীকা লাকা লাব্বায়কা ইন্নাল-হামদা ওয়ান-নিয়’মাতা লাকা ওয়াল-মুলকা লা শারীকা লাকা”।
[২৯১৯] বুখারী ১৫৫৭, ১৫৬৮, ১৫৭০, ১৬৫১, ১৭৮৫, ২৫০৬, ৪৩৫২, ৭২৩০, ৭৩৬৭; মুসলিম ১২১৩, ১২১৫, ১২১৬/১-৫, ১২১৮/১-৩, ১২৬৩/১-২, ১২৭৩, ১২৭৯, ১২৯৯; তিরমিযী ৮১৭, ৮৫৬-৫৭, ৮৬২, ৮৬৯, ৮৮৬, ৮৯৭, ৯৪৭, ২৯৬৭, ৩৭৮৬;
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৯১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির (রাঃ) রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর তালবিয়া বর্ণনা করেছেন। তিনি বলতেন: “লাব্বায়কা আল্লাহুম্মা লাব্বায়কা, লাব্বায়কা লা শরীক লাকা লাব্বায়কা, ইন্নাল হামদা ওয়ান নিয়ামাতা লাকা ওয়াল মুলক, লা শরীক লাকা।” হাদিসের ভাষায় তালবিয়ার মূল ভাব হলো আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়া এবং তাঁর কোনো শরীক নেই—এ কথা ঘোষণা করা। একই সাথে সব প্রশংসা, নিয়ামত ও রাজত্ব আল্লাহর—এই বিশ্বাসও এতে আছে। “রাসূলের তালবিয়া”, “হজ্জের তালবিয়া” এবং “তালবিয়া বাংলা উচ্চারণ” বিষয়ে এই হাদিস খুব দরকারি। এখানে শুধু নবী صلى الله عليه وسلم-এর তালবিয়ার বাক্য ও তার সরাসরি অর্থের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তালবিয়া হজ্জে আল্লাহর ডাকে সাড়া দেওয়ার ঘোষণা।
- তালবিয়ায় আল্লাহর শরীকহীনতার কথা স্পষ্টভাবে আছে।
- সব প্রশংসা, নিয়ামত ও রাজত্ব আল্লাহর—এ বিশ্বাস তালবিয়ায় প্রকাশ পায়।
