১/৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৯৭ - পায়খানায় বিসমিল্লাহ বলার শিক্ষা
পায়খানায় প্রবেশকালে যা লোকের বলা কর্তব্য
পায়খানায় প্রবেশের আগে বিসমিল্লাহ: পর্দা ও সুরক্ষার হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৯৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ২৯৭
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ بَشِيرِ بْنِ سَلْمَانَ، حَدَّثَنَا خَلاَّدٌ الصَّفَّارُ، عَنِ الْحَكَمِ النَّصْرِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي جُحَيْفَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " سِتْرُ مَا بَيْنَ الْجِنِّ وَعَوْرَاتِ بَنِي آدَمَ إِذَا دَخَلَ الْكَنِيفَ أَنْ يَقُولَ بِسْمِ اللَّهِ " .
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, জিন ও মানুষের গোপন অঙ্গের মাঝখানের পর্দা হলো পায়খানায় প্রবেশকালে তার ‘বিসমিল্লাহ’ বলা।
[২৯৫] তিরমিযী ৬০৬। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: মিশকাত ৩৫৮, ইরওয়াহ ৫০। উক্ত হাদীসের রাবী মুহাম্মাদ বিন হুমায়দ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন সিকাহ বললেও ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তার হাদীসে অধিক মুনকার হাদীস রয়েছে। ইমাম বুখারী বলেন, তার হাদীসের ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। আবু যুরআহ আর-রাযী ও ইবনু খিরাশ তাকে মিথ্যুক বলেছেন। উক্ত হাদীসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ২৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে পায়খানায় প্রবেশের সময় “বিসমিল্লাহ” বলার একটি বিশেষ শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, জিন ও মানুষের গোপন অঙ্গের মাঝখানের পর্দা হলো, পায়খানায় প্রবেশকালে তার “বিসমিল্লাহ” বলা। হাদিসটি আমাদের শেখায়, খুব ব্যক্তিগত ও সাধারণ কাজের সময়ও আল্লাহর নাম স্মরণ করা গুরুত্বপূর্ণ। পায়খানায় প্রবেশের আদবের মধ্যে বিসমিল্লাহ বলা একটি বড় অর্থ বহন করে। এখানে পর্দার কথা এসেছে, যা মানুষের লজ্জাস্থান ও গোপনীয়তার সাথে সম্পর্কিত। তাই মুসলিম জীবনে শালীনতা শুধু মানুষের সামনে নয়; অদৃশ্য জগতের বিষয়েও সতর্কতা শেখানো হয়েছে। এই হাদিস আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাসে আল্লাহর নামকে যুক্ত করার সহজ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পায়খানায় প্রবেশের সময় বিসমিল্লাহ বলার শিক্ষা এসেছে।
- বিসমিল্লাহ জিন ও মানুষের গোপন অঙ্গের মাঝে পর্দার কারণ বলা হয়েছে।
- ব্যক্তিগত কাজের সময়ও আল্লাহর নাম স্মরণ করা যায়।
- শালীনতা ও গোপনীয়তা ইসলামের দৈনন্দিন আদবের অংশ।
