২৫/৮১. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৬৯ - বাতহায় যাত্রাবিরতির বর্ণনা
মুহাস্সাবে যাত্রা বিরতি
বাতহায় যাত্রাবিরতি: নবী صلى الله عليه وسلم ও খোলাফায়ে রাশেদিনের আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩০৬৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩০৬৯
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ يَنْزِلُونَ بِالأَبْطَحِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ), আবূ বাকর, উমর ও উসমান (রাঃ) বাতহা নামক স্থানে যাত্রাবিরতি করতেন।
[৩০৬৯] সহীহুল বুখারী ১৭৬৯, মুসলিম ১৩১০, তিরমিযী ৯২১, আবূ দাউদ ২০১২, ২০১৩, আহমাদ ৪৮০৪, ৫৭২২। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমার (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم, আবু বকর, উমর ও উসমান (রাঃ) বাতহা নামক স্থানে যাত্রাবিরতি করতেন। এর আগের বর্ণনায় আয়িশা (রাঃ) বলেছেন, আবতাহে অবস্থান সুন্নত নয়; বরং রওয়ানা সহজ করার জন্য ছিল। তাই দুই বর্ণনা একসাথে দেখলে বোঝা যায়, বাতহায় অবস্থান একটি ঘটিত আমল, কিন্তু এর কারণ ও মর্যাদা বুঝে কথা বলতে হবে। এই হাদিসে খোলাফায়ে রাশেদিনের আমলও এসেছে, যা ঐ স্থানে তাঁদের যাত্রাবিরতির ধারাবাহিকতা দেখায়। তবে কোনো অতিরিক্ত দাবি না করে, বর্ণনার সীমার মধ্যে থাকা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূল صلى الله عليه وسلم ও কয়েকজন খলিফার বাতহায় অবস্থানের বর্ণনা এসেছে।
- একই বিষয়ে সব বর্ণনা মিলিয়ে বুঝতে হয়।
- ভ্রমণ ও হজ্জের ঘটনাকে অতিরিক্ত বিধান বানানো থেকে সতর্ক থাকা দরকার।
