২৫/৮২. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৭০ - বিদায়ী তাওয়াফের গুরুত্ব
বিদায়ী তাওয়াফ
বিদায়ী তাওয়াফ: মক্কা ছাড়ার আগে শেষ আমল
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩০৭০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩০৭০
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ النَّاسُ يَنْصَرِفُونَ كُلَّ وَجْهٍ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «لاَ يَنْفِرَنَّ أَحَدٌ حَتَّى يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ بِالْبَيْتِ» .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
লোকেরা বিক্ষিপ্তভাবে সব দিকে যাচ্ছিল। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: শেষবারের মত বাইতুল্লাহ তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ যেন প্রস্থান না করে।
[৩০৭০] সহীহুল বুখারী ১৭৫৫, মুসলিম ১৩২৭, ১৩২৮, আবূ দাউদ ২০০২, আহমাদ ১৯৩৭, দারেমী ১৯৩২, রাওদুন নাদীর ৫৫৯, সহীহ আবু দাউদ ১৭৪৭। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিদায়ী তাওয়াফের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ এসেছে। লোকেরা যখন বিভিন্ন দিকে চলে যাচ্ছিল, তখন রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, শেষবারের মতো বাইতুল্লাহ তাওয়াফ না করা পর্যন্ত কেউ যেন প্রস্থান না করে। এর মাধ্যমে মক্কা ছাড়ার আগে বাইতুল্লাহর সাথে শেষ সম্পর্ক তাওয়াফের মাধ্যমে রাখার শিক্ষা পাওয়া যায়। এখানে মূল শব্দ হলো—শেষ সাক্ষাৎ বা শেষ আমল যেন বাইতুল্লাহর সাথে হয়। হজ্জের সফরে অনেক আমল থাকে, কিন্তু বিদায়ের সময় তাওয়াফের গুরুত্ব এই হাদিসে সরাসরি এসেছে। তাই বিদায়ী তাওয়াফ, বাইতুল্লাহ তাওয়াফ এবং হজ্জ শেষে মক্কা থেকে প্রস্থান—এই বিষয়গুলো বুঝতে হাদিসটি খুব প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মক্কা ছাড়ার আগে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করার নির্দেশ এসেছে।
- হজ্জ শেষে প্রস্থানও সুন্নাহর নির্দেশনা মেনে হওয়া উচিত।
- বিদায়ের সময় বাইতুল্লাহর সাথে শেষ আমল তাওয়াফ হওয়ার শিক্ষা আছে।
