২৫/৮৩. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৭৩ - তাওয়াফের পর ঋতু হলে রওয়ানা
ঋতুবতী স্ত্রীলোক বিদায়ী তাওয়াফ না করে প্রস্থান করতে পারে
কুরবানির দিনের তাওয়াফের পর ঋতু: সাফিয়া (রাঃ)-এর বর্ণনা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩০৭৩
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩০৭৩
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ ذَكَرَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ صَفِيَّةَ فَقُلْنَا قَدْ حَاضَتْ . فَقَالَ «عَقْرَى حَلْقَى مَا أُرَاهَا إِلاَّ حَابِسَتَنَا» . فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا قَدْ طَافَتْ يَوْمَ النَّحْرِ . قَالَ «فَلاَ إِذًا مُرُوهَا فَلْتَنْفِرْ» .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাফিয়্যা (রাঃ) সম্পর্কে জানতে চাইলে আমরা বললাম, সে ঋতুবতী হয়েছে। তিনি বলেনঃ বন্ধ্যা, ন্যাড়া, সে তো আমাদের আটকে ফেলেছে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলুল্লাহ! তিনি কোরবানীর দিন তাওয়াফ করেছেন। তিনি বলেনঃ তাহলে অসুবিধা নেই। তোমরা তাঁকে রওনা হতে বলো।
[৩০৭৩] সহীহুল বুখারী ৩২৮, ১৫৬১, ১৭৩৩, ১৭৫৭, ১৭৬২, ১৭৭২, ৪৪০১, ৫৩২৯, ৬১৫৭, ৭২২৯, মুসলিম ১২১১, তিরমিযী ৯৪৩, নাসায়ী ৩৯১, আবূ দাউদ ২০০৩, আহমাদ ২৩৫৮১, ২৩৫৮৯, ২৪০০৪, ২৪০৩৭, ২৪১৫৩, ২৪৩৮৫, ২৪৭৮১, ২৪৮৯৭, ২৪৯১৪, ২৪৯৯১, ২৫০৭৫, ২৫১৩৪, ২৫১৯৩, ২৫২৪৯, ২৫৩৪৭, ২৫৪১৩, ২৫৬২৮, মুয়াত্তা মালেক ৯৪৩, ৯৪৫, দারেমী ৯৪২, ১৯১৭, ইরওয়া ৪/২৬১। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩০৭৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসেও সাফিয়া (রাঃ)-এর একই ঘটনার আরেকটি বর্ণনা এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাঁর সম্পর্কে জানতে চাইলে বলা হয়, তিনি ঋতুবতী হয়েছেন। তখন তিনি মনে করেন, হয়তো তিনি কাফেলাকে আটকে দেবেন। পরে জানানো হয়, তিনি কুরবানির দিন তাওয়াফ করেছেন। তখন রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, তাহলে অসুবিধা নেই; তাকে রওনা হতে বলো। এখানে কুরবানির দিনের তাওয়াফ বলতে তাওয়াফে ইফাদার বিষয়টি বোঝানো হয়েছে। হাদিসটি দেখায়, সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমলের ক্রম জানা জরুরি। যদি প্রধান তাওয়াফ আগে হয়ে থাকে, তাহলে পরবর্তী ঋতুর কারণে সফর আটকে রাখা হয়নি। এটি হজ্জে নারীদের জন্য বাস্তব পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানির দিনের তাওয়াফ হয়ে গেলে পরবর্তী ঋতুতে রওয়ানার অনুমতি এসেছে।
- কোন ঘটনা কখন ঘটেছে, তা জানলে মাসআলা পরিষ্কার হয়।
- হজ্জের সফরে নারীদের অবস্থা নিয়ে নবী صلى الله عليه وسلم বাস্তব নির্দেশনা দিয়েছেন।
