২৯/৪১. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৩৩২ - খেজুর একসাথে মুখে দেওয়া নিষেধ
একাধিক খেজুর একত্রে মুখে দেয়া নিষেধ
খেজুর একসাথে মুখে না দেওয়া: খাবারের মজলিসে শিষ্টাচার
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৩৩২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৩৩২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْخَزَّازُ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَعْدٍ، مَوْلَى أَبِي بَكْرٍ - وَكَانَ سَعْدٌ يَخْدُمُ النَّبِيَّ ـ ﷺ ـ وَكَانَ يُعْجِبُهُ حَدِيثُهُ - أَنَّ النَّبِيَّ ـ ﷺ ـ نَهَى عَنِ الإِقْرَانِ . يَعْنِي فِي التَّمْرِ .
সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
সা’দ (রাঃ) নবী (ﷺ) এর খেদমত করতেন এবং তাঁর কথাবার্তা তাঁর ভাল লাগত। নবী (ﷺ) কয়েকটি খেজুর একসাথে মুখে দিতে নিষেধ করেছেন।
[৩৩৩২] আহমাদ ১৭১৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু আমির আল-খাযযার সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তিন সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহণ করা যায় তবে তা দলীলযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। সুলায়মান বিন দাউদ বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৮১২, ১৩/৪৭ নং পৃষ্ঠা)
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৩৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাদ (রাঃ)-এর প্রসঙ্গ এসেছে, যিনি নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর খেদমত করতেন এবং তাঁর কথাবার্তা ভালো লাগত। বর্ণনার মূল অংশ হলো, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) কয়েকটি খেজুর একসাথে মুখে দিতে নিষেধ করেছেন। আগের বর্ণনার মতো এখানেও খাবারের মজলিসে শিষ্টাচারের শিক্ষা আছে। খাবার যখন সবার সামনে থাকে, তখন নিজের আচরণে অন্যদের কথা ভাবতে হয়। একসাথে বেশি নেওয়া অন্যদের জন্য অস্বস্তির কারণ হতে পারে। হাদিসে অনুমতির বিস্তারিত এখানে নেই, তবে নিষেধটি স্পষ্ট। তাই খেজুর খাওয়ার আদব, খাবারে ভদ্রতা এবং সঙ্গীদের অধিকার—এই হাদিসের প্রধান বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কয়েকটি খেজুর একসাথে মুখে দিতে নিষেধ এসেছে।
- খাবারের সময় সঙ্গীদের কথা ভাবা উচিত।
- খাওয়ার মজলিসে ভদ্রতা ইসলামী আদবের অংশ।
- ছোট খাবারের আচরণেও চরিত্রের শিক্ষা থাকে।
