৩১/১৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৬৮ - উদে হিন্দির সাত রোগের প্রতিষেধক
ফুসফুস আবরক ঝিল্লির প্রদাহের ঔষধ
উদে হিন্দি হাদিস: সাত রোগের প্রতিষেধক ও ফুসফুস প্রদাহ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৪৬৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৪৬৮
حَدَّثَنَا أَبُو طَاهِرٍ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ الْمِصْرِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَنْبَأَنَا يُونُسُ، وَابْنُ، سَمْعَانَ عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أُمِّ قَيْسٍ بِنْتِ مِحْصَنٍ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «عَلَيْكُمْ بِالْعُودِ الْهِنْدِيِّ - يَعْنِي بِهِ الْكُسْتَ - فَإِنَّ فِيهِ سَبْعَةَ أَشْفِيَةٍ مِنْهَا ذَاتُ الْجَنْبِ».قَالَ ابْنُ سَمْعَانَ فِي الْحَدِيثِ " فَإِنَّ فِيهِ شِفَاءً مِنْ سَبْعَةِ أَدْوَاءٍ مِنْهَا ذَاتُ الْجَنْبِ».
উম্মু কায়স বিন্তি মিহসান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা অবশ্যই উদে হিন্দী (চন্দন কাঠ) ব্যবহার করবে কেননা তাতে সাতটি রোগের প্রতিষেধক, তার মধ্যে একটি হলো ফুসফুস আবরক ঝিল্লির প্রদাহ। বিন সামআনের বর্ণনায় এভাবে আছেঃ কেননা তাতে সাতটি রোগের প্রতিষেধক আছে, যার একটি হল ফুসফুস আবরক ঝিল্লির প্রদাহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৪৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) উদে হিন্দি বা কুস্ত ব্যবহার করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এতে সাতটি রোগের প্রতিষেধক রয়েছে; তার একটি হলো ফুসফুস আবরক ঝিল্লির প্রদাহ। বর্ণনায় বিন সামআনের সূত্রে একই অর্থে বলা হয়েছে যে এতে সাত রোগের জন্য শিফা আছে। এখানে কোর টপিক হলো নববী চিকিৎসা, বিশেষ করে উদে হিন্দির ব্যবহার। হাদিসে সাত রোগের কথা এলেও এখানে শুধু একটি রোগের নাম স্পষ্ট করা হয়েছে, তাই ব্যাখ্যায় শুধু ফুসফুসের প্রদাহের কথাই নিশ্চিতভাবে বলা উচিত। এই হাদিস আমাদের শেখায়, চিকিৎসার উপাদান সম্পর্কে নবীজির নির্দেশনা গুরুত্বের সাথে বোঝা দরকার। এ কারণে উদে হিন্দি নিয়ে কথা বলার সময় হাদিসে যতটুকু এসেছে, ঠিক ততটুকুই বলা নিরাপদ ও সঠিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উদে হিন্দি বা কুস্ত ব্যবহারের কথা হাদিসে এসেছে।
- এতে সাত রোগের প্রতিষেধকের কথা বলা হয়েছে।
- হাদিসে স্পষ্টভাবে ফুসফুসের প্রদাহের একটি উদাহরণ এসেছে।
- যে রোগের নাম বলা হয়নি, তা নিজে থেকে যোগ করা উচিত নয়।
