৩১/৩৪. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৪ - ঝাড়ফুঁকের মন্ত্র পেশ করার শিক্ষা

জায়েয ঝাড়ফুঁক সম্পর্কে।

ঝাড়ফুঁকের মন্ত্র নবীজির সামনে পেশ করা: অনুমতির হাদিস

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫১৪

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ إِدْرِيسَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُمَارَةَ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنَّ خَالِدَةَ بِنْتَ أَنَسٍ أُمَّ بَنِي حَزْمٍ السَّاعِدِيَّةَ، جَاءَتْ إِلَى النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ فَعَرَضَتْ عَلَيْهِ الرُّقَى فَأَمَرَهَا بِهَا .

খালিদাহ আস-সাইদিয়্যাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি নবী (ﷺ) এর নিকট আসেন এবং ঝাড়ফুঁক করার মন্ত্র পেশ করেন। তিনি তাঁকে তা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন।

[৩৫১৪] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৪-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে বলা হয়েছে, এক নারী নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে আসেন এবং ঝাড়ফুঁক করার মন্ত্র তাঁর সামনে পেশ করেন। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তাকে সেই মন্ত্র দ্বারা ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন। এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ঝাড়ফুঁক নিজের ইচ্ছামতো নয়; বরং তা যাচাই করা হয়েছে এবং নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর অনুমতি নেওয়া হয়েছে। হাদিসে মন্ত্রের শব্দ দেওয়া হয়নি, তাই ব্যাখ্যায় তা বানিয়ে বলা যাবে না। রুকইয়া, ঝাড়ফুঁকের অনুমতি, নবীজির সামনে পেশ করা এবং যাচাই—এসব বিষয় এই বর্ণনার মূল দিক। একজন মুসলিমের জন্য শিক্ষা হলো, ধর্মীয় চিকিৎসা বা দোয়ার নামে কিছু করার আগে সেটি নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য কি না তা গুরুত্ব দিয়ে দেখা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ঝাড়ফুঁকের মন্ত্র নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে পেশ করা হয়েছিল।
  • অনুমতি পাওয়ার পরই তা দ্বারা ঝাড়ফুঁক করা হয়েছে।
  • মন্ত্রের শব্দ হাদিসে নেই, তাই নিজের থেকে যোগ করা উচিত নয়।
  • ধর্মীয় আমলের নামে কিছু করলে যাচাই ও সতর্কতা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন