৩১/৩৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৭ - সাপ ও বিচ্ছার দংশনে ঝাড়ফুঁক
সাপ, বিছা ইত্যাদির দংশনে ঝাড়ফুঁক
সাপ ও বিচ্ছার দংশনে ঝাড়ফুঁক: নবীজির অনুমতি
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫১৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫১৭
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ مُغِيرَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ فِي الرُّقْيَةِ مِنَ الْحَيَّةِ وَالْعَقْرَبِ .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাপ ও বিছার দংশনে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) সাপ ও বিচ্ছার দংশনে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দিয়েছেন। এখানে বিষয়টি খুব পরিষ্কার: সাপের দংশন এবং বিচ্ছার দংশন। হাদিসে অন্য রোগ বা সমস্যার কথা বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় সীমা রাখা জরুরি। রুকইয়া, সাপের দংশন, বিচ্ছার দংশন এবং নবীজির অনুমতি—এসব এই হাদিসের মূল বিষয়। একজন মুমিনের জন্য শিক্ষা হলো, বিপদে বৈধ উপায়ে সাহায্য নেওয়া যায়। একই সঙ্গে হাদিসে যেটুকু বলা হয়েছে, সেটুকুর বাইরে বাড়তি দাবি না করা ভালো। এই বর্ণনা রুকইয়ার অনুমোদিত ক্ষেত্র বোঝার জন্য সংক্ষিপ্ত ও দরকারি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাপ ও বিচ্ছার দংশনে ঝাড়ফুঁকের অনুমতি এসেছে।
- হাদিসে নির্দিষ্টভাবে দুই ধরনের দংশনের কথা বলা হয়েছে।
- বিপদে বৈধ দোয়া ও চিকিৎসার পথ নেওয়া যায়।
- রুকইয়ার বিষয়ে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর অনুমতিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
