৩১/৩৫. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৯ - সাপের দংশনের ঝাড়ফুঁকের অনুমতি
সাপ, বিছা ইত্যাদির দংশনে ঝাড়ফুঁক
সাপের দংশনের রুকইয়া: নবীজির সামনে দোয়া পেশ করার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫১৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫১৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، قَالَ عَرَضْتُ النَّهْشَةَ مِنَ الْحَيَّةِ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ ـ ﷺ ـ فَأَمَرَ بِهَا .
আমর বিন হাযম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে আমি সর্পদংশনের ঝাড়ফুঁকের দোয়া পেশ করলে তিনি আমাকে এর অনুমতি দেন।
[৩৫১৯] হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫১৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বর্ণনাকারী বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে সাপের দংশনের ঝাড়ফুঁকের দোয়া পেশ করেন। নবীজি (صلى الله عليه وسلم) তাকে এর অনুমতি দেন। এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক আছে। প্রথমত, বিষয়টি সাপের দংশনের সঙ্গে যুক্ত। দ্বিতীয়ত, ঝাড়ফুঁকের দোয়া নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে পেশ করা হয়েছে, তারপর অনুমতি পাওয়া গেছে। তাই এই হাদিস রুকইয়ার ক্ষেত্রে যাচাই ও অনুমতির গুরুত্ব দেখায়। হাদিসে দোয়ার শব্দ দেওয়া হয়নি, তাই তা নিজের থেকে বলা উচিত নয়। সাপের দংশন, ঝাড়ফুঁক, রুকইয়া এবং নবীজির অনুমতি—এসব এই বর্ণনার মূল বিষয়। একজন মুমিনের জন্য শিক্ষা হলো, বিপদের সময় বৈধ সাহায্য নেওয়া যায়, তবে ধর্মীয় পদ্ধতিতে সতর্কতা রাখতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাপের দংশনে ঝাড়ফুঁকের দোয়া পেশ করা হয়েছিল।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) অনুমতি দেওয়ার পর তা গ্রহণযোগ্য হয়েছে।
- রুকইয়ার ক্ষেত্রে যাচাই ও সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ।
- হাদিসে দোয়ার শব্দ না থাকলে তা বানিয়ে বলা উচিত নয়।
