৩২/১৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৮৯ - দীবাজ হারীর ও ইস্তাবরাক নিষিদ্ধ
রেশমী বস্ত্র পরিধান নিষিদ্ধ
দীবাজ, হারীর ও ইস্তাবরাক: রেশমজাত বস্ত্রের নিষেধ
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৮৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৮৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ عَنِ الدِّيبَاجِ وَالْحَرِيرِ وَالإِسْتَبْرَقِ .
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) দীবাজ, হারীর ও ইসতাবরাক নিষিদ্ধ করেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৫৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দীবাজ, হারীর ও ইস্তাবরাক নিষিদ্ধ করেছেন। এগুলো রেশমজাত বা বিলাসী কাপড়ের নাম হিসেবে বর্ণনায় এসেছে। হাদিসটি খুব সরাসরি ভাষায় পোশাকের একটি নিষেধাজ্ঞা জানায়। এখানে দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই, কিন্তু মূল নির্দেশ স্পষ্ট—যে পোশাকের ব্যাপারে নবীজি নিষেধ করেছেন, সেটি থেকে দূরে থাকা উচিত। রেশমী বস্ত্র, দীবাজ ও ইস্তাবরাক সম্পর্কে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায়, ইসলামে পোশাক শুধু সাজসজ্জা নয়; পোশাকেও আদব, সীমা ও নববী নির্দেশনার প্রতি সম্মান থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) দীবাজ, হারীর ও ইস্তাবরাক নিষিদ্ধ করেছেন।
- রেশমজাত পোশাকের ব্যাপারে সতর্ক থাকা দরকার।
- পোশাকের পছন্দেও নবীজির নির্দেশনা মানা উচিত।
- ছোট বর্ণনাও পরিষ্কার আমলি শিক্ষা দিতে পারে।
