৩২/৩৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৩৭ - কাযা নিষিদ্ধ: মাথার একাংশ কামানো ও একাংশ রাখা
মাথার অংশবিশেষের চুল কামানো নিষেধ
কাযা নিষিদ্ধ: শিশুদের চুল কাটার নববী আদব
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৭
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৬৩৭
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ نَافِعٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهُ ـ ﷺ ـ عَنِ الْقَزَعِ . قَالَ وَمَا الْقَزَعُ قَالَ أَنْ يُحْلَقَ مِنْ رَأْسِ الصَّبِيِّ مَكَانٌ وَيُتْرَكَ مَكَانٌ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ‘কাযা’ নিষিদ্ধ করেছেন। রাবী জিজ্ঞেস করেন, ‘কাযা’ কী? বিন উমর (রাঃ) বলেন, ‘কাযা’ হল শিশুদের মাথার একাংশের চুল কামানো এবং একাংশের চুল রেখে দেয়া।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ‘কাযা’ নিষিদ্ধ করেছেন। রাবী জিজ্ঞেস করলে ইবনু উমর (রাঃ) ব্যাখ্যা করেন, কাযা হলো শিশুদের মাথার একাংশের চুল কামানো এবং একাংশ রেখে দেওয়া। এখানে মূল বিষয় হলো চুল কাটার অসম পদ্ধতি থেকে বিরত থাকা। হাদিসে বিশেষ করে শিশুদের মাথার কথা এসেছে, তাই ব্যাখ্যায় সেটিই গুরুত্ব পেয়েছে। এটি বাহ্যিক সাজসজ্জার একটি আদব শেখায়—চুল কাটায়ও ভারসাম্য থাকা উচিত। ‘কাযা হাদিস’, ‘মাথার একাংশ চুল কামানো’, ‘শিশুর চুল কাটার নিয়ম’—এসব সার্চে এই বর্ণনা সরাসরি উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) কাযা নিষিদ্ধ করেছেন।
- কাযা হলো মাথার কিছু অংশ কামিয়ে কিছু অংশ রেখে দেওয়া।
- শিশুদের চুল কাটার ক্ষেত্রেও সুন্দর ও ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি শেখানো হয়েছে।
