৩২/৩৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৩৮ - মাথার অংশবিশেষ কামানো নিষেধ
মাথার অংশবিশেষের চুল কামানো নিষেধ
মাথার অংশবিশেষ কামানো: কাযা থেকে বিরত থাকার শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৩৮
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৬৩৮
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ عَنِ الْقَزَعِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) মাথার অংশবিশেষের চুল কামাতে নিষেধ করেছেন।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সংক্ষেপে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মাথার অংশবিশেষের চুল কামাতে নিষেধ করেছেন। আগের বর্ণনায় ‘কাযা’র ব্যাখ্যা এসেছে, আর এখানে সেই নিষেধাজ্ঞা সংক্ষিপ্তভাবে বলা হয়েছে। মূল শিক্ষা হলো চুল কাটার ক্ষেত্রে এমন পদ্ধতি এড়িয়ে চলা, যেখানে মাথার কিছু অংশ কামানো হয় আর কিছু অংশ রাখা হয়। হাদিসটি ছোট হলেও খুব স্পষ্ট। এতে বাহ্যিক রূপের একটি শিষ্ট পদ্ধতি শেখানো হয়েছে। কোনো বাড়তি দাবি বা আধুনিক স্টাইলের নাম এখানে যোগ করা হয়নি; কারণ হাদিসে শুধু অংশবিশেষ কামানোর নিষেধ এসেছে। ‘কাযা নিষেধ’, ‘চুলের কিছু অংশ কামানো’, ‘মাথার চুল কাটার হাদিস’—এসব সার্চে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মাথার অংশবিশেষ কামাতে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) নিষেধ করেছেন।
- চুল কাটায় অসম ও অশোভন পদ্ধতি এড়িয়ে চলার শিক্ষা পাওয়া যায়।
- ছোট হাদিস থেকেও স্পষ্ট আমল শেখা যায়।
