৩৩/১. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৬০ - সন্তানের ইস্তিগফার ও জান্নাতে মর্যাদা
মাতা-পিতার সাথে সদ্ব্যবহার
সন্তানের ইস্তিগফার: জান্নাতে মর্যাদা বৃদ্ধির সুন্দর শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৬৬০
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৬৬০
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ قَالَ «الْقِنْطَارُ اثْنَا عَشَرَ أَلْفَ أُوقِيَّةٍ كُلُّ أُوقِيَّةٍ خَيْرٌ مِمَّا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ». وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " إِنَّ الرَّجُلَ لَتُرْفَعُ دَرَجَتُهُ فِي الْجَنَّةِ فَيَقُولُ أَنَّى هَذَا فَيُقَالُ بِاسْتِغْفَارِ وَلَدِكَ لَكَ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেনঃ এক কিনতার হলো বারো হাজার উকিয়ার সমান এবং উকিয়া হলো আসমান-যমিনের মাঝখানে যা কিছু আছে তার চেয়ে উত্তম। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরও বলেনঃ জান্নাতে মানুষের মর্যাদা অবশ্যই বৃদ্ধি করা হবে। সে বলবে, এটা (মর্যাদা বৃদ্ধি) কীভাবে হলো? বলা হবে, তোমার জন্য তোমার সন্তানের ক্ষমা প্রার্থনার বদৌলতে।
[২৯৯২] আহমাদ ৮৫৪০,দারিমী ৩৪৬৪। (আরবি লেখা) হাদীসটি হাসান।(আরবি লেখা) দঈফা ৪০৭৬, দঈফ আল-জামি‘ ৪১৪১,(আরবি লেখা) সহীহাহ ১৫৯৮, মিশকাত ২৩৫৪।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৬৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দুটি বিষয় এসেছে। প্রথমে কিনতার ও উকিয়ার বড় মর্যাদার কথা বলা হয়েছে। এরপর রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জান্নাতে একজন মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধির কথা বলেছেন। সে অবাক হয়ে জানতে চাইবে, এই মর্যাদা কীভাবে বাড়ল? তাকে বলা হবে, তার সন্তানের ক্ষমা প্রার্থনার কারণে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো সন্তানের দোয়া ও ইস্তিগফার মা-বাবার জন্য বড় কল্যাণের কারণ হতে পারে। এখানে সন্তানকে শুধু দুনিয়ার সঙ্গী হিসেবে নয়, আখিরাতের উপকারের মাধ্যম হিসেবেও দেখানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্তানের ইস্তিগফার মা-বাবার জন্য আখিরাতে উপকারের কারণ হতে পারে।
- মা-বাবার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা সন্তানের সুন্দর দায়িত্ব।
- জান্নাতে মর্যাদা বৃদ্ধি আল্লাহর অনুগ্রহে হয়, আমলের বাহ্যিক হিসাবের বাইরে নয়।
