৩৩/২০. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭১৪ - হাঁচির জবাব তিনবার দেওয়ার সীমা
হাঁচির জবাব দেয়া
হাঁচির জবাব তিনবার: সীমা ও শিষ্টাচার
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭১৪
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭১৪
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عِكْرِمَةَ بْنِ عَمَّارٍ، عَنْ إِيَاسِ بْنِ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ " يُشَمَّتُ الْعَاطِسُ ثَلاَثًا فَمَا زَادَ فَهُوَ مَزْكُومٌ " .
সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ হাঁচিদাতার উত্তর দিতে হবে তিনবার, এর অধিকবার হাঁচি দিলে সে ঠান্ডায় আক্রান্ত।
[৩০৪৬] মুসলিম ২৯৯৩, তিরমিযী ২৭৪৩, আবূ দাউদ ৫০৩৭, আহমাদ ১৬০৬৬, দারিমী ২৬৬১। মিশকাত ৪৭৪৩।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, হাঁচিদাতার উত্তর তিনবার দিতে হবে; এর বেশি হলে সে ঠান্ডায় আক্রান্ত। হাদিসটি আমাদের হাঁচির জবাব দেওয়ার একটি সীমা শেখায়। ইসলামের আদব সহজ ও বাস্তবসম্মত—মানুষের অসুবিধা বা রোগের অবস্থাও খেয়াল করা হয়। কেউ বারবার হাঁচি দিলে প্রতিবার একইভাবে জবাব দিতে গিয়ে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে; এই হাদিসে সেই ক্ষেত্রে তিনবারের সীমা এসেছে। তাই হাঁচির আদব মানা যেমন দরকার, তেমনি অসুস্থতার দিকটিও বুঝে আচরণ করা দরকার। এতে সৌজন্য থাকে, আবার বাস্তবতার কথাও মানা হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাঁচির জবাব দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনবারের সীমা এসেছে।
- বারবার হাঁচি রোগ বা ঠান্ডার লক্ষণ হতে পারে।
- আদব পালনে সহজতা ও বাস্তবতা দুটোই রাখা উচিত।
