৩৩/৩৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৩৯ - উম্মু আবদুল্লাহ উপনামের নববী শিক্ষা
সন্তান ভূমিষ্ঠ না হতেই কোন ব্যক্তির উপনাম গ্রহণ
উম্মু আবদুল্লাহ: আয়েশা (রাঃ)-এর উপনাম নিয়ে হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭৩৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭৩৯
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ مَوْلًى، لِلزُّبَيْرِ عَنْ عَائِشَةَ، . أَنَّهَا قَالَتْ لِلنَّبِيِّ ـ ﷺ ـ كُلُّ أَزْوَاجِكَ كَنَّيْتَهُ غَيْرِي . قَالَ «فَأَنْتِ أُمُّ عَبْدِ اللَّهِ " .
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি নবী (ﷺ) কে বলেন, আমি ছাড়া আপনার সকল স্ত্রীর উপনাম রেখেছেন। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি উম্মু আবদুল্লাহ।
৩০৭১. আবূ দাউদ ৪৯৭০। সহীহাহ ১৩২।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৩৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে বলেন, “আমি ছাড়া আপনার সকল স্ত্রীর উপনাম রেখেছেন।” তখন নবীজি বলেন, “তাহলে তুমি উম্মু আবদুল্লাহ।” এই বর্ণনা খুব কোমল ও সুন্দর। এতে দেখা যায়, উপনাম শুধু পরিচয়ের জন্য নয়; কখনো তা সম্মান, স্নেহ ও মনের চাহিদা পূরণের অংশও হতে পারে। আয়েশা (রাঃ) নিজের জন্য উপনাম চেয়েছেন, আর নবীজি তাঁকে সুন্দরভাবে উত্তর দিয়েছেন। এখানে উপনামের বিস্তৃত সব বিধান নেই; কিন্তু “উম্মু আবদুল্লাহ” উপনাম দেওয়ার স্পষ্ট উদাহরণ আছে। যারা “আয়েশা রাঃ উপনাম” বা “মেয়েদের কুনিয়া” খোঁজেন, তাদের জন্য এই হাদিস দেখায় যে সম্মানসূচক উপনাম ব্যবহার ইসলামী আদবের একটি সুন্দর দিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উপনাম সম্মান ও স্নেহের প্রকাশ হতে পারে।
- আয়েশা (রাঃ)-কে নবীজি উম্মু আবদুল্লাহ উপনাম দিয়েছেন।
- প্রশ্ন করলে কোমলভাবে উত্তর দেওয়া নববী আদব।
- উপনাম ব্যবহারে ভালো অর্থ ও সম্মান থাকা উচিত।
