৩৩/৩৭. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৪৬ - পরামর্শ চাওয়া হলে বিশ্বস্ত থাকা
পরামর্শদাতা আমানতদার
পরামর্শে বিশ্বস্ততা: আমানত রক্ষার নববী শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭৪৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭৪৬
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ أَبِي مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «الْمُسْتَشَارُ مُؤْتَمَنٌ» .
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যার কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়, তাকে বিশ্বস্ততা রক্ষা করতে হবে।
[৩০৭৮] আহমাদ ২১৮৫৫, দারিমী ২৪৪৯।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৪৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একই মূল শিক্ষা এসেছে—যার কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়, তাকে বিশ্বস্ততা রক্ষা করতে হবে। কেউ যদি নিজের সিদ্ধান্তের আগে আপনার কাছে আসে, সে তার চিন্তা, দুর্বলতা বা প্রয়োজনের একটি অংশ আপনার হাতে তুলে দেয়। তাই পরামর্শে বিশ্বস্ততা শুধু ভালো কথা বলা নয়; বরং গোপনীয়তা, সততা এবং কল্যাণের দিক দেখা। হাদিসের আলোকে পরামর্শদাতা যেন এমন কথা না বলে, যা জেনে-শুনে ক্ষতির দিকে নেয়। সে যেন নিজের সুবিধার বদলে পরামর্শপ্রার্থীর ভালোটি বিবেচনা করে। এটি আমানতদার চরিত্রের সরল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পরামর্শপ্রার্থী মানুষের বিশ্বাসকে সম্মান করা জরুরি।
- সৎ পরামর্শে গোপনীয়তা ও কল্যাণের ভাবনা থাকে।
- জেনে-শুনে ক্ষতিকর পরামর্শ দেওয়া আমানতের সঙ্গে মেলে না।
