৩৩/৪৩. অধ্যায়ঃ

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৬৩ - দাবা বা পাশা খেলার কঠোর উপমা

দাবা ও পাশা খেলা

দাবা বা পাশা খেলা নিয়ে হাদিসের কঠোর সতর্কতা

সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭৬৩

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَأَبُو أُسَامَةَ عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ مَرْثَدٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ ﷺ ـ قَالَ " مَنْ لَعِبَ بِالنَّرْدَشِيرِ فَكَأَنَّمَا غَمَسَ يَدَهُ فِي لَحْمِ خِنْزِيرٍ وَدَمِهِ ".

বুরায়দাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেনঃ যে ব্যক্তি দাবা বা পাশা খেললো, সে যেন শুকরের গোশত ও রক্তের মধ্যে হাত ডুবিয়ে দিলো।

[৩০৯৫] মুসলিম ২২৬০, আবূ দাউদ ৪৯৩৯, আহমাদ ২২৪৭০, ২২৫১৬, ২২৫৪৭। ইরওয়া’ ৮/২৮৬।

সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৬৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো দাবা বা পাশা খেলা নিয়ে সতর্কতা। প্রদত্ত অনুবাদে এসেছে, যে ব্যক্তি দাবা বা পাশা খেললো, সে যেন শুকরের গোশত ও রক্তের মধ্যে হাত ডুবিয়ে দিলো। এই ভাষা খুব কঠোর, তাই বুঝা যায় বিষয়টি হালকা নয়। হাদিসে মূলত এমন খেলার প্রতি অনীহা ও সতর্কতা শেখানো হয়েছে, যা মানুষকে নাফরমানি, সময় নষ্ট বা অসতর্কতার দিকে নিতে পারে। এখানে অযথা বাড়তি দাবি করার দরকার নেই; বর্ণনার সরল শিক্ষা হলো, মুসলিমের জীবন শুধু খেলা ও মগ্নতার জন্য নয়। যে কাজ আল্লাহর অপছন্দের দিকে নিয়ে যায়, তা থেকে দূরে থাকা নিরাপদ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দাবা বা পাশা খেলা সম্পর্কে হাদিসে কঠোর উপমা এসেছে।
  • যে বিনোদন নাফরমানির দিকে নেয়, তা থেকে দূরে থাকা উচিত।
  • সময় ও মনকে এমন কাজে ব্যয় করা ভালো নয় যা দ্বীনি সতর্কতার বিপরীত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন